মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়তে চাই : হুইপ দুলু অঘোষিত ফাইনালে কাল মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের শিল্পায়নে নতুন দিগন্ত নবাবগঞ্জ উপজেলায় ঈদের ছুটিতে নিজ এলাকায় রোগীদের সেবা দিচ্ছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মাদারীপুর ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন এমপি’র যে কারণে সেভিয়া থেকে বরখাস্ত হলেন আর্জেন্টাইন কোচ তিন দিনে ত্রিশ লাখ ছুঁইছুঁই রাফীর প্রেশার কুকার স্বাভাবিক নিয়মে ফিরছে ব্যাংক, লেনদেন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেমন আছেন মির্জা আব্বাস, যা জানা গেল শহীদ জিয়ার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখা হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

শহীদ জিয়ার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখা হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, শহীদ জিয়ার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ স্মৃতিকে চির অমর ও অম্লান করে ধরে রাখা হবে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর সমগ্র দেশে যখন নেতৃত্ব শূন্যতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ প্রদান করেন। সেই স্মৃতিবিজড়িত ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ ইতিহাসের বিষয়বস্তু। অথচ সেটা সেভাবে পালন করা হয় না, সেটা আমরা করতে চাই।

তিনি বলেন, মেজর জিয়া ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে বিদ্রোহ করে বেরিয়ে এসে স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি সঞ্চার হয় এবং জনগণের মধ্যে সাহস ও উদ্দীপনা ফিরে আসে। এ লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এবং শহীদ জিয়ার স্মৃতিকে সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সংস্কৃতিমন্ত্রী চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না। তাই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বীরত্বগাথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বজনীন জনযুদ্ধ, যার মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। এই স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের সূচনা, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদের আত্মত্যাগ, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন। এসব আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামের অংশ ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’, যেটা জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে করেছেন। আবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন। সেটা আমাদের অত্যন্ত দুঃখ, বেদনা এবং শোকের অংশ। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও জিয়ার স্মৃতি জাদুঘরকে সমন্বিতভাবে একটি ব্যবস্থাপনায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এখানে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন, প্রয়োজনে শহীদ জিয়ার ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারের ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে প্রথমে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরে সংশ্লিষ্ট জাদুঘরে যেতে পারেন সে ধরনের একটি সমন্বিত পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শহীদ জিয়ার নির্মম হত্যাকাণ্ড যেমন জাতির জন্য বেদনাদায়ক অধ্যায়, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান বাঙালির গৌরবের অংশ। এই দুই ঐতিহাসিক দিককে যথাযথভাবে উপস্থাপন ও সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী ভাস্কর দেওয়ানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর সংস্কৃতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com