ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব নিকুঞ্জে হ/ত্যাচেষ্টা মা//মলার আ/সা/মি ও মা/দক কারবারি ‘গা/ঞ্জা রিফাত’ আ/টক অজস্র কলমের ছোঁয়া -এর দশম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। পটুয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, পানির নিচে আমনের বীজতলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব : মোনায়েম মুন্না হিলিতে ‘কেনা প্রশ্নপত্রে’ অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ, অভিভাবকদের ক্ষোভ পেলে-ম্যারাডোনার ক্লাবে বেলিংহাম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবার ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা শাখার বন্যায় কবলিত মানুষদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ।

পেলে-ম্যারাডোনার ক্লাবে বেলিংহাম

জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের ও দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে গোল দু’টি করেন বেলিংহাম। এই দুই গোলে রেকর্ড বইয়ে পেলে ও ম্যারাডোনার পাশে বসলেন বেলিংহাম।

মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোতে জোড়া গোল করেছিলেন বেলিংহাম। এরপর নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও জোড়া গোল করেন তিনি। ফলে এক বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে নজির গড়লেন বেলিংহাম।

এই তালিকায় আগেই নাম তুলেছেন ব্রাজিলের পেলে-গারিঞ্চা, আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা এবং হাঙ্গেরির শান্দোর কোচিচ।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে একাধিক গোল করা খেলোয়াড় :
১৯৫৪ সাল : শান্দোর কোচিচ (হাঙ্গেরি) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৫৮ সাল : পেলে (ব্রাজিল) – সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
১৯৬২ সাল : গারিঞ্চা (ব্রাজিল) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৮৬ সাল : দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
২০২৬ সাল : জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) – শেষ ১৬ ও কোয়ার্টার ফাইনাল

২৩ বছর ১২ দিন বয়সে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের টানা দুই ম্যাচে ২ বা তার বেশি গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হলেন বেলিংহাম। ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন গোল করে এই তালিকায় সবার উপরে আছেন পেলে।

চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপের ইতিহাসে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে) দু’বার পিছিয়ে পড়েও জয়ের স্বাদ পেয়েছিল তারা। ১৯৯০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এবং ১৯৬৬ সালে ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।

বড় টুর্নামেন্টে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো নিজেদের শেষ তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে চতুর্থবারের মত সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে ইংল্যান্ড। ২০১৮ সালের পর প্রথম। ঐবার অতিরিক্ত সময়ে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ইংলিশরা।

এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেন (৬টি) এবং বেলিংহাম (৬টি) গোল করেছেন। এই প্রথম ইংল্যান্ডের কোন জুটি এক আসরে ৬টি করে গোল করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ২৭টি ম্যাচের মধ্যে ছয়বার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জয়ের ঘটনা ঘটেছে। একটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে এটি ১৯৩৪ সালের আসরকে (১৬টি ম্যাচ) স্পর্শ করেছে।

বিশ্বকাপে বেলিংহামের মোট গোলসংখ্যা এখন ৭। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় হ্যারি কেন (১৪) ও গ্যারি লিনেকারের (১০) পেছনে আছেন তিনি।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৬টি গোল করেছেন বেলিংহাম। ফলে গ্যারি লিনেকারের রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে ৬টি গোল করেছিলেন লিনেকার। যা কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের এক বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বাধিক গোলের রেকর্ড এটি।

২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের তালিকায় পেলের পাশে বসলেন বেলিংহাম (৭টি)। ২৪ বছর বয়সের আগেই বিশ্বকাপে ৭ গোল করেছিলেন পেলে।

তবে এক্ষেত্রে ১২ গোল নিয়ে সবার উপরে ফ্রান্সে কিলিয়ান এমবাপ্পে।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব

পেলে-ম্যারাডোনার ক্লাবে বেলিংহাম

আপডেট টাইম : ০৭:০৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের ও দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে গোল দু’টি করেন বেলিংহাম। এই দুই গোলে রেকর্ড বইয়ে পেলে ও ম্যারাডোনার পাশে বসলেন বেলিংহাম।

মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোতে জোড়া গোল করেছিলেন বেলিংহাম। এরপর নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও জোড়া গোল করেন তিনি। ফলে এক বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে নজির গড়লেন বেলিংহাম।

এই তালিকায় আগেই নাম তুলেছেন ব্রাজিলের পেলে-গারিঞ্চা, আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা এবং হাঙ্গেরির শান্দোর কোচিচ।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে একাধিক গোল করা খেলোয়াড় :
১৯৫৪ সাল : শান্দোর কোচিচ (হাঙ্গেরি) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৫৮ সাল : পেলে (ব্রাজিল) – সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
১৯৬২ সাল : গারিঞ্চা (ব্রাজিল) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৮৬ সাল : দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা) – কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
২০২৬ সাল : জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) – শেষ ১৬ ও কোয়ার্টার ফাইনাল

২৩ বছর ১২ দিন বয়সে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের টানা দুই ম্যাচে ২ বা তার বেশি গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হলেন বেলিংহাম। ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন গোল করে এই তালিকায় সবার উপরে আছেন পেলে।

চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপের ইতিহাসে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে) দু’বার পিছিয়ে পড়েও জয়ের স্বাদ পেয়েছিল তারা। ১৯৯০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এবং ১৯৬৬ সালে ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।

বড় টুর্নামেন্টে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো নিজেদের শেষ তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে চতুর্থবারের মত সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে ইংল্যান্ড। ২০১৮ সালের পর প্রথম। ঐবার অতিরিক্ত সময়ে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ইংলিশরা।

এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেন (৬টি) এবং বেলিংহাম (৬টি) গোল করেছেন। এই প্রথম ইংল্যান্ডের কোন জুটি এক আসরে ৬টি করে গোল করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ২৭টি ম্যাচের মধ্যে ছয়বার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জয়ের ঘটনা ঘটেছে। একটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে এটি ১৯৩৪ সালের আসরকে (১৬টি ম্যাচ) স্পর্শ করেছে।

বিশ্বকাপে বেলিংহামের মোট গোলসংখ্যা এখন ৭। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় হ্যারি কেন (১৪) ও গ্যারি লিনেকারের (১০) পেছনে আছেন তিনি।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৬টি গোল করেছেন বেলিংহাম। ফলে গ্যারি লিনেকারের রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে ৬টি গোল করেছিলেন লিনেকার। যা কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের এক বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বাধিক গোলের রেকর্ড এটি।

২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের তালিকায় পেলের পাশে বসলেন বেলিংহাম (৭টি)। ২৪ বছর বয়সের আগেই বিশ্বকাপে ৭ গোল করেছিলেন পেলে।

তবে এক্ষেত্রে ১২ গোল নিয়ে সবার উপরে ফ্রান্সে কিলিয়ান এমবাপ্পে।

 


প্রিন্ট