স্টাফ রিপোর্টার :নরসিংদী থেকেঃ
নরসিংদী আমদিয়ায় পুর্বশত্রুতার জের ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী ট্যাগ লাগিয়ে স্বরন নামে এক যুবক কে ঘন্টাব্যাপী নির্যাতন করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার অভিযোগ উঠেছে পলাশ উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের যুবদল নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ই এম মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।তথ্য সুত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী স্বরন আমদিয়া ইউনিয়নের আখালিয়া গ্রামের মরহুম মতিউর রহমানের সন্তান । স্বরনের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, স্বরন বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি কোন রাজনৈতিক দলের কমিটিতে কোন পদপদবীও নেই। অপরদিকে যুবদল নেতা ই.এম. মেহেদী হাসান একই গ্রামের বাসিন্দা মরহুম মতিউর রহমানের (স্বরনের বাবা ) চাচাতো ভাই মরহুম সাত্তারের সন্তান। সম্পর্কে মেহেদীর চাচাতো ভাই ভুক্তভোগী স্বরন।
প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক জানান, গত ৯ আগষ্ট রবিবার রাতে বনাইদ বাজারে আমরা চারজন বন্ধু স্বরনের ইলেকট্রনিক দোকানে উপস্থিত ছিলাম।হঠাৎ মেহেদী ভাই ও তার সহযোগী মোহন স্বরনের দোকানের সাটার নামানোর চেষ্টা করলে একপর্যায়ে স্বরন বাধা দিলে সেখানে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এসময় স্বরন মেহেদী কে জিজ্ঞেস করে ভাই আমি কি অপরাধ করলাম। আমার সাথে এমন করছেন কেন।মেহেদি উত্তেজিত হয়ে গালমন্দ করে স্বরনের হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে স্বরনকে মারধর করতে থাকে। এসময় যুবদল নেতা মেহেদী মাধবদী থানার পুলিশের কাছে স্বরনকে সোপর্দ করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বরনের উপর এই আকস্মিক হামলায় আখালিয়া ,বনাইদ গ্রামের বাসিন্দাদের মাঝে এক আতংক বিরাজ করছে।
এবিষয়ে মেহেদীর কাছে জানতে চাইলে উত্তেজিত হয়ে এই প্রতিবেদককে বলেন আপনি কোন পত্রিকার সাংবাদিক। বিষয় টা দেখছি বলে মোবাইল কলটি কেটে দেয়। পরে বহুবার মোবাইলে কলদিলেও রিসিভ করেনি মেহেদি।মাধবদী থানায় ভুক্তভোগী স্বরনের বিষয়ে কোন রাজনৈতিক পদপদবীর প্রমান পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে ওসি কোন সদ উত্তর না দিয়ে ফোনের লাইন টি কেটে দেয়।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 



















