ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
  ধামইরহাটে নজরুল বর্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন জাহিদ’র সমর্থনে গনসংযোগ নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নাভি পিল্লাইকে অধ্যাপক ইউনূসের অভিনন্দন ইইউর দীর্ঘমেয়াদি বাজেট নিয়ে ফ্রান্স-জার্মানির বিরোধ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের কথা ট্রাম্পকে জানিয়েছেন পুতিন: ক্রেমলিন মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী আইসিইয়ের গুলিতে ডোমিনিকান নাগরিক আহত, নিউইয়র্কে বিক্ষোভ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির খুলনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের জেরে পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টা পরই ফের প্রধানমন্ত্রী হলেন মৌরিতানিয়ার মোকতার

চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলে ব্যবহৃত ম্যাচ বলটি নিলামে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদায় যা প্রায় ৪০ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশন্সে ঐতিহাসিক এই ফুটবলটি বিক্রি হয়। যদিও নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের ধারণা ছিল ফুটবলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ম্যারাডোনা এই বলেই তাঁর বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেছিলেন এবং এর মাত্র চার মিনিট পর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক প্রচেষ্টার গোলটি করেছিলেন।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামকারীরা আশা করেছিলেন যে বলটির দাম ম্যানাডোসার সেই ম্যাচের জার্সিটির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২২ সালে সোথবির নিলামে মারাদোনার সেই জার্সিটি প্রায় ৯০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া, এটি খেলাধুলায় ব্যবহৃত বলের সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি; যেটি বর্তমানে ২০২০ সালে বিক্রিত বেসবল তারকা শোতে ওহতানির ৫০তম হোম রানের বলের (৪.৩৯২ মিলিয়ন ডলার) দখলে রয়েছে।

দাম কম হওয়ার নেপথ্য কারণ

এর আগে ২০২২ সালে গ্রাহাম বাড অকশন্স থেকে বলটি ২ মিলিয়ান ডলারে হাতবদল হয়েছিল। তবে এর পরের বছর সর্বোচ্চ ২.০৪ মিলিয়ন ডলারের বিড উঠলেও তা ন্যূনতম রিজার্ভ মূল্য ছুঁতে না পারায় বিক্রি হয়নি। চলতি গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উন্মাদনার সুযোগ নিতেই বলটি পুনরায় নিলামে তোলা হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এর নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়া এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারা—এই দুটি বিষয়ই মূলত নিলামে ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুমান ১ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে না পারলেও, এই বিক্রয়মূল্য পুরোনো ফুটবল স্মারক বাজারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত মানদণ্ড তৈরি করে দিল।

আগামী মাসগুলোতে বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো দুর্লভ স্মারক বাজারে আসে কি না, তা বিশ্বজুড়ে সংগ্রাহকরা বেশ কৌতূহলের সাথেই লক্ষ্য করবেন। তা সত্ত্বেও, বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর উচ্চমূল্যের স্মারকগুলো বিশ্বজুড়ে প্রাইভেট ইনভেস্টরদের মাঝে সবসময়ই একটা স্থিতিশীল আগ্রহ ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

  ধামইরহাটে নজরুল বর্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান

চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

আপডেট টাইম : ০৫:৫২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলে ব্যবহৃত ম্যাচ বলটি নিলামে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদায় যা প্রায় ৪০ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশন্সে ঐতিহাসিক এই ফুটবলটি বিক্রি হয়। যদিও নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের ধারণা ছিল ফুটবলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ম্যারাডোনা এই বলেই তাঁর বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেছিলেন এবং এর মাত্র চার মিনিট পর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক প্রচেষ্টার গোলটি করেছিলেন।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামকারীরা আশা করেছিলেন যে বলটির দাম ম্যানাডোসার সেই ম্যাচের জার্সিটির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২২ সালে সোথবির নিলামে মারাদোনার সেই জার্সিটি প্রায় ৯০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া, এটি খেলাধুলায় ব্যবহৃত বলের সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি; যেটি বর্তমানে ২০২০ সালে বিক্রিত বেসবল তারকা শোতে ওহতানির ৫০তম হোম রানের বলের (৪.৩৯২ মিলিয়ন ডলার) দখলে রয়েছে।

দাম কম হওয়ার নেপথ্য কারণ

এর আগে ২০২২ সালে গ্রাহাম বাড অকশন্স থেকে বলটি ২ মিলিয়ান ডলারে হাতবদল হয়েছিল। তবে এর পরের বছর সর্বোচ্চ ২.০৪ মিলিয়ন ডলারের বিড উঠলেও তা ন্যূনতম রিজার্ভ মূল্য ছুঁতে না পারায় বিক্রি হয়নি। চলতি গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উন্মাদনার সুযোগ নিতেই বলটি পুনরায় নিলামে তোলা হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এর নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়া এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারা—এই দুটি বিষয়ই মূলত নিলামে ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুমান ১ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে না পারলেও, এই বিক্রয়মূল্য পুরোনো ফুটবল স্মারক বাজারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত মানদণ্ড তৈরি করে দিল।

আগামী মাসগুলোতে বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো দুর্লভ স্মারক বাজারে আসে কি না, তা বিশ্বজুড়ে সংগ্রাহকরা বেশ কৌতূহলের সাথেই লক্ষ্য করবেন। তা সত্ত্বেও, বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর উচ্চমূল্যের স্মারকগুলো বিশ্বজুড়ে প্রাইভেট ইনভেস্টরদের মাঝে সবসময়ই একটা স্থিতিশীল আগ্রহ ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট