ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৃহত্তর উত্তরা উলামা পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আদর্শ সমাজ গঠন ও মাদক প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা স্বাভাবিকের চেয়ে আগেই পিরিয়ড হওয়ার যেসব কারণে ভাত রান্না করার সময় যে ৫ ভুল করবেন না জাপানে বসবাসরত ভারতীয়রা অ্যাথলেটদের থাকার ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত তিতাস-২৮ উদ্বোধন: জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অভাবের কাছে হার মানেননি সীমা, পাশে দাঁড়ালো আলো মিডিয়া গ্রুপ শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক গবেষণানির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য জন্মদিনে সালমান শাহকে স্মরণ, ‘মিথ্যা অপবাদ’ না ছড়ানোর আহ্বান শাবনূরের নানা বিতর্কের মধ্যেই পর্দা উঠছে এশিয়ান গেমসের গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক চুক্তি

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফলক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণ কর্মসূচী

মোঃ সিমান্ত তালুকদার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী জুলাই স্মৃতি ফলক পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও সংরক্ষণে ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ঢাকা সাভার উপজেলা এলাকায় প্রায় ২১টি জুলাই স্মৃতি ফলক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফলকের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় রং ও সংস্কার কাজ করা হয়েছে।

কর্মসূচিতে তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, চেয়ারম্যান, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করছেন। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই স্মৃতি ফলক পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্মৃতি ফলকের মর্যাদা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে। মাইকিং, গণসচেতনতামূলক বক্তব্য ও স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সবাইকে স্মৃতি ফলক সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারাও বিষয়টিকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করছেন এবং ভবিষ্যতে জুলাই স্মৃতি ফলকে পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট লাগানো, লেখালেখি বা কোনো ধরনের আঁকিবুঁকি না করার বিষয়ে সচেতন হচ্ছেন।

তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন,
“জুলাই স্মৃতি ফলক শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি আমাদের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও স্মৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে চাই। জুলাই স্মৃতি ফলক সংরক্ষণ শুধু কোনো একটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়—এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে এগিয়ে এসে এসব স্মৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে হবে।”

তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন মনে করে, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জনগণ, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও তরুণ সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে দেশের সব জুলাই স্মৃতি ফলকের মর্যাদা ও সৌন্দর্য দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

সবার প্রতি আহ্বান—
জুলাইয়ের স্মৃতি রক্ষা করি, স্মৃতি ফলকের মর্যাদা সংরক্ষণ করি।
এ দায়িত্ব আপনার, আমার—আমাদের সবার।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর উত্তরা উলামা পরিষদের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আদর্শ সমাজ গঠন ও মাদক প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফলক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণ কর্মসূচী

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ সিমান্ত তালুকদার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী জুলাই স্মৃতি ফলক পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও সংরক্ষণে ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ঢাকা সাভার উপজেলা এলাকায় প্রায় ২১টি জুলাই স্মৃতি ফলক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফলকের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় রং ও সংস্কার কাজ করা হয়েছে।

কর্মসূচিতে তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, চেয়ারম্যান, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করছেন। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই স্মৃতি ফলক পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্মৃতি ফলকের মর্যাদা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে। মাইকিং, গণসচেতনতামূলক বক্তব্য ও স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সবাইকে স্মৃতি ফলক সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারাও বিষয়টিকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করছেন এবং ভবিষ্যতে জুলাই স্মৃতি ফলকে পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট লাগানো, লেখালেখি বা কোনো ধরনের আঁকিবুঁকি না করার বিষয়ে সচেতন হচ্ছেন।

তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন,
“জুলাই স্মৃতি ফলক শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি আমাদের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও স্মৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে চাই। জুলাই স্মৃতি ফলক সংরক্ষণ শুধু কোনো একটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়—এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে এগিয়ে এসে এসব স্মৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে হবে।”

তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন মনে করে, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জনগণ, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও তরুণ সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে দেশের সব জুলাই স্মৃতি ফলকের মর্যাদা ও সৌন্দর্য দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

সবার প্রতি আহ্বান—
জুলাইয়ের স্মৃতি রক্ষা করি, স্মৃতি ফলকের মর্যাদা সংরক্ষণ করি।
এ দায়িত্ব আপনার, আমার—আমাদের সবার।

 


প্রিন্ট