বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ কালীগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত বৃহৎ রুপদিয়া বাজারে সয়লাব উপকূলের তরমুজে গোমস্তাপুরে কৃতিসন্তান ফুটবলার ইউসুফ কে বীরোচিত সংবর্ধনা সাফ অনুর্ধ-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দল বদলগাছীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদক ও সাইবার অপরাধে পুলিশের মতবিনিময় রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের : শিক্ষামন্ত্রী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি ত্রিশালে আলামিন হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পহেলা বৈশাখে ঢাকায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি তামিমের

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫
  • ৪৭ বার পঠিত

সিটিজেন প্রতিবেদক: মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, মাছ আমিষের যোগানদাতা। প্রাণিজ আমিষ হিসেবে মাছ বাঙালির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

শনিবার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি (২০২৪-২৫) পর্যালোচনা ও গবেষণা পরিকল্পনা (২০২৫-২৬) প্রণয়ন’ শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, মাছ, বিশেষ করে ছোট মাছ কীভাবে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, তার জন্য বিএফআরআইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিভাগ, বিএফআরআই এবং মৎস্য অধিদপ্তরকে অভিন্ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, তবেই বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদের গুণগত পরিবর্তন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানীরা জাতির মূল্যবান সম্পদ। তারা যেন তাদের মেধা দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে, গবেষণায় আরও মনোনিবেশ করতে পারেন, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

বিজ্ঞানীদের এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে, যা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝতে পারবে এবং যার সুফল তারা সরাসরি পাবে। মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া গেলে দেশে মাছের সংকট থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন ফরিদা আখতার।

উপদেষ্টা আরও বলেন, কৃষি কার্যক্রমে ব্যবহৃত কীটনাশক হাওর এলাকার মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এই কমিটিগুলোর কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে হাওরাঞ্চলে কীটনাশক ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় ও হুমকির মুখে থাকা মাছ শনাক্তে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) প্রজাতিগুলোকে লাল (বিপন্ন), হলুদ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও সাধারণ (নিরাপদ) শ্রেণিতে ভাগ করেছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে মাছের সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিএফআরআই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আর তা সফল হলে দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে এটি একটি বড় মাইলফলক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com