শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রী প্রত্যাহারের দাবী 

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫ বার পঠিত

এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রী প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন।

 

নবগঠিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার ও দপ্তর পুনর্বণ্টনের আহ্বান জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়কারী মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন এবং অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবী জানান।

 

বিবৃতিতে তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানায়। গণতান্ত্রিক পথে দেশের নতুন অভিযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন, পাহাড়ের মানুষের অধিকার এবং প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর মানবাধিকার রক্ষার মতো ইস্যুগুলো অগ্রাধিকার পাবে বলেই পাহাড়ের জনগণ আশা করে।

 

যুগ্ম সমন্বয়কারীরা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন নেতাকে পূর্ণমন্ত্রী করা হলেও একজন অ-পাহাড়ীকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৯০ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এসে পার্বত্য সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান শুরুর উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে সংলাপ শুরু করে, যার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দলটি চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখে।

 

তারা দাবী করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন–যা প্রমাণ করে পাহাড়ের জনগণ এখনও বিএনপির ওপর আস্থা রাখে।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিশ্রুতি দেশের বহুজাতিক পরিচয়ের স্বীকৃতি দেয়। এই নীতিকে মজবুত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করা জরুরী।

 

বিবৃতির শেষে তারা বলেন, ২০০১ সালে যেভাবে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা রেখে চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন এবং চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখবেন বলে তারা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com