এস চাঙমা সত্যজিৎ
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তার বিঝু, বিহু, সাংগ্রাই, বৈসু, সাংক্রান, পাতা, চৈত্র সংক্রান্তি ও শুভ নববর্ষের জন্য সরকারী ছুটির দাবীতে ছাত্র সমাজ জেগে উঠেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলের আদিবাসীদের এই দাবী যুক্তিক দাবী বলে জোরালো হয়ে উঠেছে।
আগামী ১১–১৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত ছয় দিনের সরকারী ছুটির ঘোষণা করতে সরকারের নিকট দাবী করা হয়েছে।আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ঘিরে সরকারী ছুটির দাবী জোরালো হয়ে উঠেছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় জুম্মো স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী, পাহাড়ি ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১১ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারী ছুটি ঘোষণার দাবী জোরালো হয়েছে।
বক্তারা জানান, এই সময়টিতে উদযাপিত হয় বিজু, বিহু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, সংক্রান, পাতা, চৈত্র সংক্রান্তি এবং নববর্ষের—যা বিভিন্ন আদিবাসী জাতিসত্তার প্রধান ও প্রাণের উৎসব। এই উৎসবগুলো কেবল আনন্দের নয়, বরং সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব রক্ষার প্রতীকও।
বক্তাদের মতে, যেমন ঈদ ইসলাম ধর্মের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এই উৎসবগুলো আদিবাসী ও সংখ্যালুগু জনগোষ্ঠীর জন্য সমান তাৎপর্যপূর্ণ। তাই এই সময়টিতে সরকারী ছুটি ঘোষণা করলে জাতিগত সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার দ্রুত এ বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে এবং ১১–১৬ এপ্রিলকে সরকারী ছুটির আওতায় আসবে বলে অভিজ্ঞ মহল আশা প্রকাশ করছেন।