শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদে ঘরেই তৈরি করুন পেশোয়ারি বিফ প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকদের বেছে নিতে পারেন ১২ কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী জিডিপিতে আইসিটি খাতের অংশ ১০ শতাংশ করতে চায় সরকার বাংলাটিভির বেনাপোল প্রতিনিধির ওপর সন্ত্রাসী হামলা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ভাণ্ডারিয়ায় বায়নের খালে কচুরিপানা অপসারণ শুরু, স্বস্তি ফিরছে ৪০ হাজার পরিবারের মাঝে পটুয়াখালী ভার্সিটির নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের সঙ্গে শাখা প্রধানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন আটক কেউ আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নয় : মিথিলা ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পয়েন্ট অব সেলস মেশিনে কর ছাড়

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাজেট বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনে তিনি এ চিত্র তুলে ধরেন।

আমির খসরু বলেন, আমি বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ের সঙ্গে বিএনপির পূর্বতন সরকারের সময়ের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকসমূহের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছি। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ছয় দশমিক ৭৮ শতাংশ। কিন্তু পরবর্তীতে পতিত সরকারের সময়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা চার দশমিক ২২ শতাংশে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিন দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৫-০৬ সময়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল সাত দশমিক ১৭ শতাংশ, যা বেড়ে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে পৌঁছায়। সম্পদের অসম বণ্টন ব্যবস্থা, সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির কারণে অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়েছে।

তিনি বলেন, রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত নিম্ন পর্যায়ে রয়ে গেছে, এখনও তা আট শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করছে। কর-জিডিপি অনুপাত ছয় দশমিক আট শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার ছিল ১৩ দশমিক ছয় শতাংশ। পক্ষান্তরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় ছয় লক্ষ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। ২০০৫ সালে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততা ছিল সাত দশমিক ‍তিন শতাংশ, ২০২৫ সালের শেষে ঋণাত্মক অর্থাৎ, দুই দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে।

২০০৫-০৬ অর্থবছরের বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক তিন শতাংশ থেকে অনেক কমে ২০২৪-২৫ এ ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে এক লাখ, ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com