আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কর্তৃক ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের হুমকির বিষয়টি সামনে আনার পরপরই রোববার (২৮ জুন) এক জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ সফরে বাগদাদ যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরানের আধা-সরকারি গণমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গ্রিন জোনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর রয়েছে। এছাড়া উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনীতিকদের অনেকেই এ এলাকায় বসবাস করেন।
বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের স্থানীয় চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ট্যাংকসহ ভারী সামরিক যান নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গ্রিন জোনে অবস্থান করছেন। কয়েকটি ভিডিওতে তাদের একটি কম্পাউন্ডের ভেতরে ও একটি ক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরেও দেখা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘বিচার বিভাগের নির্দেশে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বেশ কয়েকজন রাজনীতিককে লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’
তিনি জানান, অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী ও সেনাবাহিনী অংশ নেয়।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
ওই কর্মকর্তা আটক হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় বা এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জ্যেষ্ঠ কয়েকজন ইরাকি কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যেই ব্যাপক পরিসরে এ অভিযান চালানো হয়।
এ ঘটনায় কয়েকজনের নামও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি কয়েক দশক ধরে দেশটিকে পীড়িত করে আসা দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছেন।