ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী ঢাকা-জার্কাতা অংশীদারিত্ব জোরদারে ৫ প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর তৃণমূলের আস্থায় এম কফিল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচনায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন মৃধাবাড়ি থেকে কাজলা সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ডের কাছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল কালিয়াকৈরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিনরাত জেগে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরীর কারিগররা

নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে- তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ঝামেলা

 

আজ ২২শে মার্চ রবিবার , কলকাতার বরানগর এলাকায়, বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়, ২১শে মার্চ শনিবার নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বরানগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়, ঘটনাস্থলে বিধান নগর থানা পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত।

নির্বাচন যত ঘনিয়া আসছে বরানগরে অশান্তি তত বেড়ে চলেছে । নির্বাচনী প্রচার গরম হয়ে উঠেছে বরানগর এলাকা। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়, পরিস্থিতি সামাল দিতেই ঘটনাস্থলে বিধাননগর থানার পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্র বাহিনী, কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আছে।

নির্বাচনের আগে পোস্টার নিয়ে সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকার মধ্যে যে বাগবিতণ্ডা চলল, বরানগরে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা কতটা সম্ভব সেটা দেখার, পড়ানগরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কতটা ভূমিকা গ্রহণ করে সেই দিকেই সবাই তাকিয়ে।

তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা ঘোষের অভিযোগ, একটি প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিজেপির কর্মীরা মেরেছে, কেনো তাহার গায়ে হাত দেয়া হলো, জানান এ বিষয়ে থানায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে এফআইআর করবেন এবং নির্বাচন কমিশন কি স্টেপ নেয়,সেটা তিনি দেখতে চান,

অন্যদিকে বিজেপির নেতা সজল ঘোষ জানান, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার লাগাচ্ছিলাম, কিন্তু কিছু তৃণমূলের সমাজ বিরোধীরা ঝামেলা পাকালে আমাদের কর্মীরা প্রতিহত করে, তার অভিযোগ করেন নগরে আমাদের সেন্ট্রাল অফিসের সামনে একটি পোস্টার লাগানো ছিল দুপুর বেলা সেটিও ছিঁড়ে ফেলে দেয়া হয়।, আমরাও চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচার করতে কিন্তু তা হতে দিচ্ছে না।, ভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পোস্টার ছেঁড়ার কাজ করছেন তৃণমূল কর্মীরা। আমরাও চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে- তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ঝামেলা

আপডেট টাইম : ০১:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

 

আজ ২২শে মার্চ রবিবার , কলকাতার বরানগর এলাকায়, বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়, ২১শে মার্চ শনিবার নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বরানগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়, ঘটনাস্থলে বিধান নগর থানা পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত।

নির্বাচন যত ঘনিয়া আসছে বরানগরে অশান্তি তত বেড়ে চলেছে । নির্বাচনী প্রচার গরম হয়ে উঠেছে বরানগর এলাকা। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়, পরিস্থিতি সামাল দিতেই ঘটনাস্থলে বিধাননগর থানার পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্র বাহিনী, কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আছে।

নির্বাচনের আগে পোস্টার নিয়ে সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকার মধ্যে যে বাগবিতণ্ডা চলল, বরানগরে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা কতটা সম্ভব সেটা দেখার, পড়ানগরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কতটা ভূমিকা গ্রহণ করে সেই দিকেই সবাই তাকিয়ে।

তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা ঘোষের অভিযোগ, একটি প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিজেপির কর্মীরা মেরেছে, কেনো তাহার গায়ে হাত দেয়া হলো, জানান এ বিষয়ে থানায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে এফআইআর করবেন এবং নির্বাচন কমিশন কি স্টেপ নেয়,সেটা তিনি দেখতে চান,

অন্যদিকে বিজেপির নেতা সজল ঘোষ জানান, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার লাগাচ্ছিলাম, কিন্তু কিছু তৃণমূলের সমাজ বিরোধীরা ঝামেলা পাকালে আমাদের কর্মীরা প্রতিহত করে, তার অভিযোগ করেন নগরে আমাদের সেন্ট্রাল অফিসের সামনে একটি পোস্টার লাগানো ছিল দুপুর বেলা সেটিও ছিঁড়ে ফেলে দেয়া হয়।, আমরাও চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচার করতে কিন্তু তা হতে দিচ্ছে না।, ভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পোস্টার ছেঁড়ার কাজ করছেন তৃণমূল কর্মীরা। আমরাও চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


প্রিন্ট