স্টাফ রিপোর্টার: হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ও আইনি বিরোধে তিনি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে তাঁর অবস্থান আইনি প্রক্রিয়ায় বহাল রয়েছে।
এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল ২০১৮ সালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ছাড়পত্র এবং যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC)-এ নিবন্ধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।
এর আগে ২০১৬ সাল থেকে নিবন্ধনসংক্রান্ত কার্যক্রম চলছিল এবং ২০১৪ সালে সংস্থাটির নাম সংরক্ষণ করা হয়।
সেহলী পারভীনের অভিযোগ, কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি তাঁর স্বাক্ষর জাল করে তাঁকে পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেন এবং নিজেদের মহাসচিব হিসেবে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কখনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি।
তাঁর দাবি অনুযায়ী, বিষয়টি আদালতে গড়ালে সহকারী মহাসচিব অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিনের আইনি তৎপরতায় উচ্চ আদালতে তাঁর অবস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সিআইডির তদন্তেও তাঁর স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে এবং তিনি প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সেহলী পারভীন বলেন, “সত্য কখনো চাপা থাকে না। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমার সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।”
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এছাড়া সেহলী পারভীনের দাবির পক্ষে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়, সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন বা সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশিত হলে আরও স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 
























