ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ৭৩৪ নেতাকর্মীর স্মরণে পিরোজপুরে ৭৩৪টি গাছের চারা রোপণ নির্মল অম্বিকায় আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে মাদক, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মোজাম্মেল হোসেন মৃধার দোয়া ও সমর্থন কামনা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে বিধবার সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে : উনো ইয়োশিমাসা বান্দরবানে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ বিদুৎ খরচ না করেও বেশি বিল দিতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে হিলি সাব-জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে রানা ছিটকে যাওয়ায় হতাশ বিশপ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মা/মলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কু/পিয়ে জখম

এক প্ল্যাটফর্মে আসছে দেশের সব বিনিয়োগ সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুমোদন নিতে গিয়ে সময়ক্ষেপণ ও প্রশাসনিক জটিলতা। একজন উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারীকে অনেক সময় একই ধরনের তথ্য ও কাগজপত্র একাধিক দপ্তরে জমা দিতে হয়। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনি বাড়ে ব্যবসা শুরুর খরচ ও অনিশ্চয়তা।

এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ সেবা একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাবিজ পোর্টালের সক্ষমতা বাড়াতে ৬৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সেবাসমূহকে একত্রিত করে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক ব্যবসা নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণমূলক অন্যান্য অনুমোদন পেতে আর দুই থেকে তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে না। বরং মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যেই এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পের আওতায় বাংলাবিজ প্ল্যাটফর্মে একটি ‘সিঙ্গেল সাইন-অন’ (এসএসও) ব্যবস্থা থাকবে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা একটিমাত্র অ্যাকাউন্ট দিয়েই একাধিক সংস্থার সেবা নিতে পারবেন।

এতে আরও থাকছে ‘নো ইউর অ্যাপ্রুভালস’ নামের একটি ড্যাশবোর্ড, যার মাধ্যমে লাইসেন্স ও পারমিটের আবেদন কোন পর্যায়ে আছে, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘ইউনিক বিজনেস আইডি’ (ইউবিআইডি) বা অনন্য ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর চালু করা।

আজীবন মেয়াদি এই ইউনিক আইডি সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করবে, বারবার একই কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝামেলা দূর করবে এবং সেবার মান উন্নত করবে।

প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপটি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি প্রাথমিক ‘বিজনেস স্টার্টার প্যাক’ নিয়ে শুরু হয়েছে। আর আগামী ৯ থেকে ১২ মাসের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেবাসমূহকে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ৭৩৪ নেতাকর্মীর স্মরণে পিরোজপুরে ৭৩৪টি গাছের চারা রোপণ

এক প্ল্যাটফর্মে আসছে দেশের সব বিনিয়োগ সেবা

আপডেট টাইম : ০৫:৩১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুমোদন নিতে গিয়ে সময়ক্ষেপণ ও প্রশাসনিক জটিলতা। একজন উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারীকে অনেক সময় একই ধরনের তথ্য ও কাগজপত্র একাধিক দপ্তরে জমা দিতে হয়। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনি বাড়ে ব্যবসা শুরুর খরচ ও অনিশ্চয়তা।

এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ সেবা একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাবিজ পোর্টালের সক্ষমতা বাড়াতে ৬৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সেবাসমূহকে একত্রিত করে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক ব্যবসা নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণমূলক অন্যান্য অনুমোদন পেতে আর দুই থেকে তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে না। বরং মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যেই এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পের আওতায় বাংলাবিজ প্ল্যাটফর্মে একটি ‘সিঙ্গেল সাইন-অন’ (এসএসও) ব্যবস্থা থাকবে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা একটিমাত্র অ্যাকাউন্ট দিয়েই একাধিক সংস্থার সেবা নিতে পারবেন।

এতে আরও থাকছে ‘নো ইউর অ্যাপ্রুভালস’ নামের একটি ড্যাশবোর্ড, যার মাধ্যমে লাইসেন্স ও পারমিটের আবেদন কোন পর্যায়ে আছে, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘ইউনিক বিজনেস আইডি’ (ইউবিআইডি) বা অনন্য ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর চালু করা।

আজীবন মেয়াদি এই ইউনিক আইডি সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করবে, বারবার একই কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝামেলা দূর করবে এবং সেবার মান উন্নত করবে।

প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপটি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি প্রাথমিক ‘বিজনেস স্টার্টার প্যাক’ নিয়ে শুরু হয়েছে। আর আগামী ৯ থেকে ১২ মাসের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেবাসমূহকে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


প্রিন্ট