মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে রাতের আঁধারে পথরোধ করে মোঃ খাইরুল ইসলাম (৩৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর জখম এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ আনুমানিক ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকায় গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডস্থ মাদারপুর খাদ্য গোডাউনের সামনের পাকা রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খাইরুল ইসলাম বাদী হয়ে মোঃ কালু (৪০) নামের এক ব্যক্তি ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে ভুক্তভোগী খাইরুল ইসলাম মাদারপুর ডিমভাঙ্গা থেকে পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ি মাহিশালবাড়ী ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মাদারপুর খাদ্য গোডাউনের সামনে পৌঁছালে মাদারপুর এলাকার মোঃ কালু ও তার সঙ্গীরা বেআইনিভাবে তার পথরোধ করে গালিগালাজ শুরু করে। খাইরুল গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে কালু তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং পাশে থাকা একটি সিমেন্টের পিলার দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কপালে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় অন্যান্য আসামিরাও তাকে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে। হামলার একপর্যায়ে আসামি কালু ভুক্তভোগীর পকেটে থাকা আনুমানিক ৫২ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন ভেঙে ফেলে। এরপর তার গলা থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন (মূল্য প্রায় ১,১২,০০০ টাকা), হাতের আঙুল থেকে ৫ আনা ওজনের ২টি স্বর্ণের আংটি (মূল্য প্রায় ৭০,০০০ টাকা) এবং মানিব্যাগে থাকা নগদ ১৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শিশির ও মোঃ জসিমসহ আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা প্রকাশ্যে তাকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় জখমপ্রাপ্ত খাইরুল ইসলামকে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ও পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা শেষ করে থানায় এজাহার দিতে সামান্য বিলম্ব হয়েছে।এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার পুলিশ এজাহার গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 












