ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ায় লেভেল-২ কোচিং কোর্স সম্পন্ন করলেন ইমরুল মধুপুরে বিকাশের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরের ভান্ডারী উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়ন সভাপতি উপরে উপজেলা যুবদল সেক্রেটারি শামীমের নেতৃত্বে হামলা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার কে বাধ্য করা হবে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে উদ্বোধনী জুটি নিয়ে চিন্তায় বাংলাদেশ ভান্ডারিয়ায় দুই জামায়াত নেতার ওপর যুবদলের হামলা, তীব্র নিন্দা  ও প্রতিবাদ- জামায়াত বেনজীরকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনার আশা সরকারের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল অসহায় বৃদ্ধকে শুকনো খাবার ও ব্যক্তিগত সহায়তা দিলেন শাহজাদপুর ইউএনও সাবরিনা শারমিন

পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

হাফসা আক্তার,  উত্তরা প্রতিনিধি :

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি আজ গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

 

 

মাননীয় মন্ত্রী নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,  নতুন নেতৃত্ব দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশে একটি টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দেশের ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা দেশের পর্যটন উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

 

তিনি আরও জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল ও মোটেলসমূহে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় প্রদানের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

 

পর্যটন খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটন খাত থেকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পর্যটন খাতে বিদ্যমান তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (TSA) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি এ কাজে টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. নিনা পি. কাইংলেট, বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার এইচ.ই. ধর্মপালা ওয়েরাক্কোডি, বাংলাদেশে ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার এইচ.ই. হাজী হারিস বিন হাজী ওসমান, নেপাল ও পাকিস্তান দূতাবাসের প্রতিনিধিবৃন্দ, টিওএবি নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীসহ পর্যটন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

হাফসা আক্তার,  উত্তরা প্রতিনিধি :

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি আজ গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

 

 

মাননীয় মন্ত্রী নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,  নতুন নেতৃত্ব দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশে একটি টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দেশের ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা দেশের পর্যটন উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

 

তিনি আরও জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল ও মোটেলসমূহে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় প্রদানের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

 

পর্যটন খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটন খাত থেকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পর্যটন খাতে বিদ্যমান তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (TSA) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি এ কাজে টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. নিনা পি. কাইংলেট, বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার এইচ.ই. ধর্মপালা ওয়েরাক্কোডি, বাংলাদেশে ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার এইচ.ই. হাজী হারিস বিন হাজী ওসমান, নেপাল ও পাকিস্তান দূতাবাসের প্রতিনিধিবৃন্দ, টিওএবি নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীসহ পর্যটন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


প্রিন্ট