ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব চট্টগ্রাম জেলা হালিশহর শাখার মা-বোনদের উদ্যোগে ঈদে আজম স্বাগত সালাতু সালাম সমাবেশ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ১ নং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা ঘোষণা তরুণ আইনজীবী এডভোকেট মহিউদ্দিন্রর বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর কটিয়াদীতে তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিশাল আনন্দ মিছিল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন রিজভীসহ ৪ নেতা দেশের বাজারে স্বর্ণালঙ্কারের দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ১৫৮ টাকা ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮ অস্ট্রেলিয়ার শক্ত প্রতিরোধে চতুর্থ দিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষা ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়ার মহাফিল ও আলোচনা বন্ধ চিনিকল চালু করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে : বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভয়াবহ এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে এবং ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।

৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর কয়েকটি ‘আফটার শক’ বা পরাঘাত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সবচেয়ে শক্তিশালী আফটার শকের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার শহরগুলোতে অনেক বাড়িঘর আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিও পোস্ট হয়েছে। সেসবে ভবন ও বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি লোকজনকে আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে বলেছেন, “আমাদের শহরে অনেকগুলো বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের সময় লোকজন খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। আমি নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়তে দেখেছি।”

প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমের মধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাবে ৫৪টি বাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাংগারাই প্রদেশকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্কতা জারির পর প্রায় দুই হাজার মানুষ নিজ উদ্যোগে নিরাপদ স্থানে সরে যান। মোটরসাইকেলে করে অনেক মানুষকে উপকূল থেকে ভেতরের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।

তবে ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সমুদ্রপৃষ্ঠের উল্লেখযোগ্য উচ্চতা বৃদ্ধি না পাওয়ায় সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

তালিবুরা গ্রামের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো জানান, প্রবল কম্পনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর তিনি দ্রুত সন্তানের ঘরে যান। আতঙ্কে অনেক মানুষ পাহাড়ের দিকে চলে যান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব চট্টগ্রাম জেলা হালিশহর শাখার মা-বোনদের উদ্যোগে ঈদে আজম স্বাগত সালাতু সালাম সমাবেশ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

আপডেট টাইম : ০৩:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভয়াবহ এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে এবং ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।

৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর কয়েকটি ‘আফটার শক’ বা পরাঘাত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সবচেয়ে শক্তিশালী আফটার শকের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার শহরগুলোতে অনেক বাড়িঘর আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিও পোস্ট হয়েছে। সেসবে ভবন ও বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি লোকজনকে আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে বলেছেন, “আমাদের শহরে অনেকগুলো বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের সময় লোকজন খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। আমি নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়তে দেখেছি।”

প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমের মধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাবে ৫৪টি বাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাংগারাই প্রদেশকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্কতা জারির পর প্রায় দুই হাজার মানুষ নিজ উদ্যোগে নিরাপদ স্থানে সরে যান। মোটরসাইকেলে করে অনেক মানুষকে উপকূল থেকে ভেতরের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।

তবে ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সমুদ্রপৃষ্ঠের উল্লেখযোগ্য উচ্চতা বৃদ্ধি না পাওয়ায় সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

তালিবুরা গ্রামের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো জানান, প্রবল কম্পনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর তিনি দ্রুত সন্তানের ঘরে যান। আতঙ্কে অনেক মানুষ পাহাড়ের দিকে চলে যান।


প্রিন্ট