রিমন হোসেনঃ
নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও সৌদি আরবের পবিত্র জমজম কূপের অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পণ্য বিক্রির ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে জমজমের পানি সরবরাহের কথা বলে প্যাকেজ বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার নির্দিষ্ট মূল্যে ‘অরিজিনাল জমজমের পানি’ সরবরাহের দাবি করা হচ্ছে।
দেখা গেছে, সরাসরি বিক্রির পাশাপাশি বেশকিছু অনলাইন সাইটে ‘ফ্রি জমজমের পানি’ দেওয়ার কথা বলে রুকাইয়াহ পেপার ও আজওয়া খেজুরের প্যাকেজ ৯৯০ টাকায় বিক্রির বিজ্ঞাপনও দেখা গেছে। সেখানে দেশের বিভিন্ন স্থানে কুরিয়ার ও ক্যাশ অন ডেলিভারির সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।
তাহারাত জোন, মানার নামের ফেসবুক পেজে জমজমের পানি সরাসরি বিক্রির বিজ্ঞাপন রয়েছে। আরও এমন অনেক সাইট রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে এই পানির উৎস বা এগুলো সত্যিই জমজমের পানি কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করার তথ্য সাইটটিতে পাওয়া যায়নি।
দেশে সুনির্দিষ্ট আমদানি তথ্য প্রমাণ ছাড়া ‘জমজমের পানি’ বিক্রি বৈধ নয়। আর সৌদি আরব এ পবিত্র কূপের পানি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে এমন কোন তথ্যও নেই। ফলে, ২০২৩ সালে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ইসলামিক বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এ পানি দোকানে বা অনলাইনে বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 

























