ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের প্রযুক্তি খাতে অগ্রযাত্রা: জানার মতো ৫টি বিষয় রাজশাহী রেঞ্জ পু/লিশের অভিযানে ১৫৭ জন গ্রে/ফতার আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরিকল্পনা সরকারের মক্কা চুক্তি নিয়ে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে: জামায়াত আমীর আইপিইউ সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরলেন স্পিকার আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পুষ্টিমান হারিয়ে ফাঁপা হচ্ছে ফসল : বাড়ছে অণুপুষ্টির ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াসের তাণ্ডবে ৪ জনের মৃ/ত্যু এবিজি স্পোর্টস সিটিতে ফ্লাডলাইটের নিচে গড়াচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে অর্থনীতির দৃশ্যপট

আজ আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস: কন্যা শিশুর স্বপ্নেই আগামীর পৃথিবী

আহমেদ হোসাইন ছানু:

আজ ১১ অক্টোবর, শনিবার – আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য – “কন্যা শিশুর দৃষ্টিতে ভবিষ্যৎ দেখি” (Girls’ vision for the future)।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো – কন্যা শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, তাদের প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে কন্যা শিশুদের অবস্থার অনেক উন্নতি হলেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। বাল্যবিবাহ, যৌতুক, ইভটিজিং, স্কুল থেকে ঝরে পড়া এবং সাইবার বুলিং এখনো কন্যা শিশুদের জন্য বড় বাধা। সরকার বাল্যবিবাহ নিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে এবং মেয়েদের শিক্ষার জন্য উপবৃত্তিসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি কন্যা শিশুকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারলে একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং শেষ পর্যন্ত একটি দেশের চেহারাই বদলে যায়। কন্যা শিশুরা আজ আর পিছিয়ে নেই। তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট, বিজ্ঞানী, খেলোয়াড় হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে।

দিবসটি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সচেতনতামূলক প্রচারণা।

আসুন, আমরা সবাই শপথ করি – কন্যা শিশুকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখবো। তার স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকবো। তাকে একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্বপ্নময় শৈশব উপহার দেবো। কারণ, একটি কন্যা শিশুর হাসিতেই লুকিয়ে আছে আগামীর সুন্দর পৃথিবী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের প্রযুক্তি খাতে অগ্রযাত্রা: জানার মতো ৫টি বিষয়

আজ আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস: কন্যা শিশুর স্বপ্নেই আগামীর পৃথিবী

আপডেট টাইম : ১১:২০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আহমেদ হোসাইন ছানু:

আজ ১১ অক্টোবর, শনিবার – আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য – “কন্যা শিশুর দৃষ্টিতে ভবিষ্যৎ দেখি” (Girls’ vision for the future)।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো – কন্যা শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, তাদের প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে কন্যা শিশুদের অবস্থার অনেক উন্নতি হলেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। বাল্যবিবাহ, যৌতুক, ইভটিজিং, স্কুল থেকে ঝরে পড়া এবং সাইবার বুলিং এখনো কন্যা শিশুদের জন্য বড় বাধা। সরকার বাল্যবিবাহ নিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে এবং মেয়েদের শিক্ষার জন্য উপবৃত্তিসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি কন্যা শিশুকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারলে একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং শেষ পর্যন্ত একটি দেশের চেহারাই বদলে যায়। কন্যা শিশুরা আজ আর পিছিয়ে নেই। তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট, বিজ্ঞানী, খেলোয়াড় হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে।

দিবসটি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সচেতনতামূলক প্রচারণা।

আসুন, আমরা সবাই শপথ করি – কন্যা শিশুকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখবো। তার স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকবো। তাকে একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্বপ্নময় শৈশব উপহার দেবো। কারণ, একটি কন্যা শিশুর হাসিতেই লুকিয়ে আছে আগামীর সুন্দর পৃথিবী।


প্রিন্ট