ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা ডিসি ফরিদার বিএমইউতে অত্যাধুনিক সি-আর্ম মেশিন চালু প্রধানমন্ত্রীর কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের পিরোজপুর প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে  বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। ‎ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-ওসি, মো. জাকির হোসেন বিশ্বম্ভরপুরে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

বিশেষ প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

আগামীকাল ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে জাতির অঙ্গীকার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান বন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের স্মরণ করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুই দশকের অধিককাল জাতিকে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার আহ্বানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তার অবর্তমানে ১৯৭১ সালে জাতীয় চার নেতা মুজিবনগর সরকার গঠন, রণনীতি ও রণকৌশল প্রণয়ন, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক তৎপরতা, শরণার্থীদের তদারকিসহ মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করতে অসামান্য অবদান রাখেন। জাতি তাদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী চক্র কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আবদুল হামিদ বলেন, ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার আদর্শ চির অম্লান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি জাতীয় চার জাতীয় নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা ডিসি ফরিদার

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ১১:৫১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

আগামীকাল ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে জাতির অঙ্গীকার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান বন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের স্মরণ করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুই দশকের অধিককাল জাতিকে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার আহ্বানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তার অবর্তমানে ১৯৭১ সালে জাতীয় চার নেতা মুজিবনগর সরকার গঠন, রণনীতি ও রণকৌশল প্রণয়ন, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক তৎপরতা, শরণার্থীদের তদারকিসহ মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করতে অসামান্য অবদান রাখেন। জাতি তাদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী চক্র কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আবদুল হামিদ বলেন, ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার আদর্শ চির অম্লান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি জাতীয় চার জাতীয় নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


প্রিন্ট