ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক স্ত্রীকে আনতে গিয়ে অভিমান, শ্রীপুরে পিকআপ চালকের মৃত্যু কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আ/সামী গ্রে/ফতার বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস আজ

মোংলা প্রতিনিধি: আজ ৭ ডিসেম্বর (শনিবার) মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদারদের হটিয়ে এই এলাকা মুক্ত করে।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শেখ আব্দুর রহমান বলেন, ‘৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে এই ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। আর সুবিধা মতো আক্রমণ করা হতো মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। মোংলা বন্দরে থাকা পাকিস্তানি হানাদারদের যুদ্ধ জাহাজও ধ্বংস করা হয়।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক

মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস আজ

আপডেট টাইম : ০৭:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯

মোংলা প্রতিনিধি: আজ ৭ ডিসেম্বর (শনিবার) মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদারদের হটিয়ে এই এলাকা মুক্ত করে।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শেখ আব্দুর রহমান বলেন, ‘৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে এই ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। আর সুবিধা মতো আক্রমণ করা হতো মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। মোংলা বন্দরে থাকা পাকিস্তানি হানাদারদের যুদ্ধ জাহাজও ধ্বংস করা হয়।’


প্রিন্ট