ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস আজ

মোংলা প্রতিনিধি: আজ ৭ ডিসেম্বর (শনিবার) মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদারদের হটিয়ে এই এলাকা মুক্ত করে।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শেখ আব্দুর রহমান বলেন, ‘৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে এই ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। আর সুবিধা মতো আক্রমণ করা হতো মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। মোংলা বন্দরে থাকা পাকিস্তানি হানাদারদের যুদ্ধ জাহাজও ধ্বংস করা হয়।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস আজ

আপডেট টাইম : ০৭:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯

মোংলা প্রতিনিধি: আজ ৭ ডিসেম্বর (শনিবার) মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদারদের হটিয়ে এই এলাকা মুক্ত করে।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শেখ আব্দুর রহমান বলেন, ‘৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে এই ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। আর সুবিধা মতো আক্রমণ করা হতো মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। মোংলা বন্দরে থাকা পাকিস্তানি হানাদারদের যুদ্ধ জাহাজও ধ্বংস করা হয়।’


প্রিন্ট