ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলা সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে গত ১০ বছর ধরে একটি রাস্তায় সংস্কারের অভাবে প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেখার যেন কেউ নেই।

জানাগেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভৈষের কুটি গ্রামে একমাত্র ফলাফলের রাস্তাটি বিগত ২০১৭ ইংসালের বন্যার প্রচন্ড স্রোতে রাস্তাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, এতে পার্শ্ববর্তী ‌ পাঁচ গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের যাতায়াতে অবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন সংস্কার অভাবে বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে এলাকাবাসীরা বাশেঁর সাকো, কখনো কাঠের ব্রিজ,ও নৌকা দিয়ে পারাপার ঝুঁকিপূর্ণভাবে ফলাফল করছে।

তার মধ্যে রয়েছে ছাত্র/ছাত্রী, শিশু শিক্ষার্থী, বয়স্ক নারী/পুরুষ, এবং বিভিন্ন ধরণের রোগী। দীর্ঘদিন সংস্কার হচ্ছে না কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি যেন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়ায় । গত ২০১৭ ইং সালের বন্যায় অতিরিক্ত স্রোতেই যেন অত্র এলাকার মানুষের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে।

২০১৭ সালের বন্যার অতিরিক্ত স্রোতে যখন ভৈষেরকুটি গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত গিড়াই নদীর উপর নির্মিত রাস্তাটি ভেঙ্গে যায় তখন থেকেই নৌকা যোগে শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার শুরু করে। পরবর্তীতে কয়েক দফায় অত্র এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষেরা বাঁশের সাকো, কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করে পারাপার হচ্ছে কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে বর্তমানে কাঠের ব্রিজটি চলাচলের অনুপোযুগি হওয়ায় ছোট্ট একটি ডিঙ্গী নৌকায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুল, মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করছে।

এলাকার জনপ্রতিনিধিবৃন্দ দফায় দফায় প্রতিশ্রুতি দিলেও ভৈষেরকুটি গ্রামের দূর্ভাগা মানুষের কপালে যেন কোনো সুখের দেখা নাই। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জনপ্রতিনিধির প্রতিশ্রুতি, ঘোষণা অথচ ১০ বছর ধরে নিজদের অর্থায়নে নির্মিত বাঁশ আর কাঠের সাকোই অত্র এলাকার মানুষের যাতায়তের একমাত্র ভরসা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি দিলেও, নির্বাচিত হয়েই সর্ব প্রথম এখানে ব্রিজ নির্মিত হবে, এরকম নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ তা শুধু অতীত স্মৃতি ।

এ ব্যাপারে ঘোগাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ৭ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে এ প্রতিবেদককে জানান, চলতি অর্থবছরে উক্ত জায়গা দুটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এলাকাবাসী কুড়িগ্রাম ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সহ‌ সকল জনপ্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৃন্দের সু- দৃষ্টি কামনা করছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

আপডেট টাইম : ০৭:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলা সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে গত ১০ বছর ধরে একটি রাস্তায় সংস্কারের অভাবে প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেখার যেন কেউ নেই।

জানাগেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভৈষের কুটি গ্রামে একমাত্র ফলাফলের রাস্তাটি বিগত ২০১৭ ইংসালের বন্যার প্রচন্ড স্রোতে রাস্তাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, এতে পার্শ্ববর্তী ‌ পাঁচ গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের যাতায়াতে অবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন সংস্কার অভাবে বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে এলাকাবাসীরা বাশেঁর সাকো, কখনো কাঠের ব্রিজ,ও নৌকা দিয়ে পারাপার ঝুঁকিপূর্ণভাবে ফলাফল করছে।

তার মধ্যে রয়েছে ছাত্র/ছাত্রী, শিশু শিক্ষার্থী, বয়স্ক নারী/পুরুষ, এবং বিভিন্ন ধরণের রোগী। দীর্ঘদিন সংস্কার হচ্ছে না কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি যেন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়ায় । গত ২০১৭ ইং সালের বন্যায় অতিরিক্ত স্রোতেই যেন অত্র এলাকার মানুষের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে।

২০১৭ সালের বন্যার অতিরিক্ত স্রোতে যখন ভৈষেরকুটি গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত গিড়াই নদীর উপর নির্মিত রাস্তাটি ভেঙ্গে যায় তখন থেকেই নৌকা যোগে শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার শুরু করে। পরবর্তীতে কয়েক দফায় অত্র এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষেরা বাঁশের সাকো, কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করে পারাপার হচ্ছে কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে বর্তমানে কাঠের ব্রিজটি চলাচলের অনুপোযুগি হওয়ায় ছোট্ট একটি ডিঙ্গী নৌকায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুল, মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করছে।

এলাকার জনপ্রতিনিধিবৃন্দ দফায় দফায় প্রতিশ্রুতি দিলেও ভৈষেরকুটি গ্রামের দূর্ভাগা মানুষের কপালে যেন কোনো সুখের দেখা নাই। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জনপ্রতিনিধির প্রতিশ্রুতি, ঘোষণা অথচ ১০ বছর ধরে নিজদের অর্থায়নে নির্মিত বাঁশ আর কাঠের সাকোই অত্র এলাকার মানুষের যাতায়তের একমাত্র ভরসা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি দিলেও, নির্বাচিত হয়েই সর্ব প্রথম এখানে ব্রিজ নির্মিত হবে, এরকম নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ তা শুধু অতীত স্মৃতি ।

এ ব্যাপারে ঘোগাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ৭ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে এ প্রতিবেদককে জানান, চলতি অর্থবছরে উক্ত জায়গা দুটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এলাকাবাসী কুড়িগ্রাম ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সহ‌ সকল জনপ্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৃন্দের সু- দৃষ্টি কামনা করছেন।


প্রিন্ট