ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

সরাসরি সম্প্রচারের মধ্যেই সিএনএনের সাংবাদিক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ অন্যায়ভাবে কৃষ্ণাজ্ঞ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার পর থেকেই মিনেসোটা রাজ্যের মিনোপোলিস শহরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ চলছে।

এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচারের সময় গতকাল শুক্রবার সকালে ওমর জিমেনেজ নামে সিএনএনের এক কৃষ্ণাঙ্গ সাংবাদিককে গ্রেফতার করে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায় স্থানীয় পুলিশ।

এ সময় সম্প্রচার চালু রাখায় জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে তার ক্যামেরাম্যান এবং প্রডিসারকেও আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।

পরে অবশ্য সংবাদিকদের প্রবল প্রতিবাদের মুখে গ্রেফতার করা ওই সাংবাদিকদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় রাজ্য পুলিশ।

পুলিশের এহেন আচরণে বিব্রত মিনেসোটা রাজ্যের গভর্নর টিম আলজ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে বলেন, এটা একবারেই অপ্রত্যাশিত এবং অগ্রহণযোগ্য ঘটনা।

সিএনএনের পক্ষ থেকে বলা হয়, একজন গণমাধ্যম কর্মীকে তার কর্তব্যকাজে বেআইনিভাবে বাধা দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েডকে ২৫ মে সন্ধ্যায় প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করে মিনেসোটা রাজ্যের পুলিশ। গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পর এক পুলিশ অফিসার হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরলে কিছুক্ষণের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

ফ্লয়েড মিনোপোলিস শহরের একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে করোনা উপেক্ষা করে প্রতিবাদে সরব হন শত শত মানুষ। এরপর থেকেই বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।

এরইমধ্যে বিক্ষোভকারীদের দেয়া আগুনে মিনোপোলিস শহরের প্রধান থানা পুড়ে গেছে। সহিংস বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের পাশাপাশি বিবেকবান শেতাঙ্গদেরও দেখা যাচ্ছে। ম্যাপিং পুলিশ ভায়োলেন্স নামের বেসরকারি সংস্থার চালানো জরিপে উঠে এসেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তিনগুণ বেশি মারা যায় কৃষ্ণাঙ্গরা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের শুরু থেকেই কৃষ্ণাঙ্গরা নানাভাবে নির্যাতিত হয়ে আসছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

সরাসরি সম্প্রচারের মধ্যেই সিএনএনের সাংবাদিক গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ অন্যায়ভাবে কৃষ্ণাজ্ঞ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার পর থেকেই মিনেসোটা রাজ্যের মিনোপোলিস শহরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ চলছে।

এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচারের সময় গতকাল শুক্রবার সকালে ওমর জিমেনেজ নামে সিএনএনের এক কৃষ্ণাঙ্গ সাংবাদিককে গ্রেফতার করে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায় স্থানীয় পুলিশ।

এ সময় সম্প্রচার চালু রাখায় জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে তার ক্যামেরাম্যান এবং প্রডিসারকেও আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।

পরে অবশ্য সংবাদিকদের প্রবল প্রতিবাদের মুখে গ্রেফতার করা ওই সাংবাদিকদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় রাজ্য পুলিশ।

পুলিশের এহেন আচরণে বিব্রত মিনেসোটা রাজ্যের গভর্নর টিম আলজ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে বলেন, এটা একবারেই অপ্রত্যাশিত এবং অগ্রহণযোগ্য ঘটনা।

সিএনএনের পক্ষ থেকে বলা হয়, একজন গণমাধ্যম কর্মীকে তার কর্তব্যকাজে বেআইনিভাবে বাধা দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েডকে ২৫ মে সন্ধ্যায় প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করে মিনেসোটা রাজ্যের পুলিশ। গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পর এক পুলিশ অফিসার হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরলে কিছুক্ষণের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

ফ্লয়েড মিনোপোলিস শহরের একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে করোনা উপেক্ষা করে প্রতিবাদে সরব হন শত শত মানুষ। এরপর থেকেই বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।

এরইমধ্যে বিক্ষোভকারীদের দেয়া আগুনে মিনোপোলিস শহরের প্রধান থানা পুড়ে গেছে। সহিংস বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের পাশাপাশি বিবেকবান শেতাঙ্গদেরও দেখা যাচ্ছে। ম্যাপিং পুলিশ ভায়োলেন্স নামের বেসরকারি সংস্থার চালানো জরিপে উঠে এসেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তিনগুণ বেশি মারা যায় কৃষ্ণাঙ্গরা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের শুরু থেকেই কৃষ্ণাঙ্গরা নানাভাবে নির্যাতিত হয়ে আসছে।


প্রিন্ট