ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস

বাটলার-ওকস বীরত্বে ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত জয়

ডেস্ক: জস বাটলার ও ক্রিস ওকসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারালো ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রায়োজন ২৭৭ রান। ইংল্যান্ড ১১৭ রানেই হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। জো রুট, বেন স্টোকস দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ। পাকিস্তানের চোখে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন।

কিন্তু জস বাটলার ও ক্রিস ওকস ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দারুণ চমক দেখালেন। যোগ করলেন ১৩৯ রান। দু’জনেই হাফ সেঞ্চুরি করলেন। এই জুটিটা যখন ভাঙ্গল তখন ইংল্যান্ড ম্যাচ জয় থেকে মাত্র ২১ রান দুরে দাড়িয়ে। জয়ের জন্য ৪ রান বাকি থাকতে ইয়াসির শাহ একই ভঙ্গিতে ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ট ব্রডকেও। তবে একপ্রান্ত আঁকড়ে ক্রিস ওকস ইংল্যান্ডকে ৩ উইকেটের জয় এনে দিলেন। ক্রিস ওকস শেষ পর্যন্ত ১২০ বলে অপরাজিত থাকেন ৮৪ রানে।

বিপদে পড়া দলকে উদ্ধারের জন্য জস বাটলার ও ক্রিস ওকস শুরুতে ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান। তাদের এই কৌশল বেশ কাজে দেয়। পাকিস্তানের পেসার এবং স্পিনাররা এই আক্রমণে তেজ হারিয়ে ফেলে। চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে বাটলার এবং ওকস দু’জনেই হাফ সেঞ্চুরি পান। বাটলার ৫৫ বলে ফিফটি তুলে নেন। খানিকবাদে ৫৯ বলে হাফ সেঞ্চুরির হাসিতে ব্যাট তুলেন ওকস।

যেভাবে দু’জনেই ব্যাট করছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল এই জুটিতেই ম্যাচ জিতে ফিরবে ইংল্যান্ড। কিন্তু দিনের খেলা শেষ হওয়ার ১৫ ওভার আগে ইয়াসির শাহ’র স্পিনে ৭৫ রানে এলবিডব্লিউ হন বাটলার। ১০১ বলে ৭ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় তার এই ৭৫ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডকে ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে জয়ের আসনে পৌঁছে দেয়।

তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে জিতে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট এই ওল্ড ট্রাফোর্ডেই শুরু হবে ১৩ আগস্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান ৩২৬ ও ১৬৯। ইংল্যান্ড ২১৯ ও ২৭৭/৭। ফল: ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে জয়ী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল

বাটলার-ওকস বীরত্বে ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত জয়

আপডেট টাইম : ০৯:৫৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২০

ডেস্ক: জস বাটলার ও ক্রিস ওকসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারালো ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রায়োজন ২৭৭ রান। ইংল্যান্ড ১১৭ রানেই হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। জো রুট, বেন স্টোকস দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ। পাকিস্তানের চোখে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন।

কিন্তু জস বাটলার ও ক্রিস ওকস ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দারুণ চমক দেখালেন। যোগ করলেন ১৩৯ রান। দু’জনেই হাফ সেঞ্চুরি করলেন। এই জুটিটা যখন ভাঙ্গল তখন ইংল্যান্ড ম্যাচ জয় থেকে মাত্র ২১ রান দুরে দাড়িয়ে। জয়ের জন্য ৪ রান বাকি থাকতে ইয়াসির শাহ একই ভঙ্গিতে ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ট ব্রডকেও। তবে একপ্রান্ত আঁকড়ে ক্রিস ওকস ইংল্যান্ডকে ৩ উইকেটের জয় এনে দিলেন। ক্রিস ওকস শেষ পর্যন্ত ১২০ বলে অপরাজিত থাকেন ৮৪ রানে।

বিপদে পড়া দলকে উদ্ধারের জন্য জস বাটলার ও ক্রিস ওকস শুরুতে ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান। তাদের এই কৌশল বেশ কাজে দেয়। পাকিস্তানের পেসার এবং স্পিনাররা এই আক্রমণে তেজ হারিয়ে ফেলে। চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে বাটলার এবং ওকস দু’জনেই হাফ সেঞ্চুরি পান। বাটলার ৫৫ বলে ফিফটি তুলে নেন। খানিকবাদে ৫৯ বলে হাফ সেঞ্চুরির হাসিতে ব্যাট তুলেন ওকস।

যেভাবে দু’জনেই ব্যাট করছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল এই জুটিতেই ম্যাচ জিতে ফিরবে ইংল্যান্ড। কিন্তু দিনের খেলা শেষ হওয়ার ১৫ ওভার আগে ইয়াসির শাহ’র স্পিনে ৭৫ রানে এলবিডব্লিউ হন বাটলার। ১০১ বলে ৭ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় তার এই ৭৫ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডকে ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে জয়ের আসনে পৌঁছে দেয়।

তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে জিতে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট এই ওল্ড ট্রাফোর্ডেই শুরু হবে ১৩ আগস্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান ৩২৬ ও ১৬৯। ইংল্যান্ড ২১৯ ও ২৭৭/৭। ফল: ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে জয়ী।


প্রিন্ট