ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

“বন্যাকবলিত মানুষকে সরিয়ে নিতে ৬০টি বোট”

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, বন্যাকবলিত মানুষকে সরিয়ে আনার জন্য এবং ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য ৬০টি বোট নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে বন্যা পরবর্তী সার্বিক বিষয় নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোট তৈরির জন্য এমওইউ স্বাক্ষর করেছি। বোট তৈরির কাজ চলছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ২০টি বোট আমাদের হাতে আসবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে আমাদের হাতে ৬০টি বোট চলে আমবে।

ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, দুর্যোগের সময় আমরা অনুভব করতে পেরেছি মাঠপর্যায়ে লোকসংখ্যা অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সেজন্য আমরা এক হাজার বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, এক হাজারটি সাইক্লোন শেল্টার এবং এক হাজারটি মুজিব কেল্লা করার ডিপিপি প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছি। সেটার কাজ চলমান রয়েছে। বাজেট পাওয়ার পরই নির্মাণকাজ আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

বন্যা পুনর্বাসনে যাতে রাষ্ট্রকে আরও বন্যা সহনীয় করতে পারি সেজন্য ১১০টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, ২০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র এবং ৫৭টি মুজিব কেল্লা এক বছরের মধ্যে করার জন্য আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি বলেন প্রতিমন্ত্রী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

“বন্যাকবলিত মানুষকে সরিয়ে নিতে ৬০টি বোট”

আপডেট টাইম : ১২:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, বন্যাকবলিত মানুষকে সরিয়ে আনার জন্য এবং ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য ৬০টি বোট নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে বন্যা পরবর্তী সার্বিক বিষয় নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোট তৈরির জন্য এমওইউ স্বাক্ষর করেছি। বোট তৈরির কাজ চলছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ২০টি বোট আমাদের হাতে আসবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে আমাদের হাতে ৬০টি বোট চলে আমবে।

ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, দুর্যোগের সময় আমরা অনুভব করতে পেরেছি মাঠপর্যায়ে লোকসংখ্যা অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সেজন্য আমরা এক হাজার বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, এক হাজারটি সাইক্লোন শেল্টার এবং এক হাজারটি মুজিব কেল্লা করার ডিপিপি প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছি। সেটার কাজ চলমান রয়েছে। বাজেট পাওয়ার পরই নির্মাণকাজ আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

বন্যা পুনর্বাসনে যাতে রাষ্ট্রকে আরও বন্যা সহনীয় করতে পারি সেজন্য ১১০টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, ২০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র এবং ৫৭টি মুজিব কেল্লা এক বছরের মধ্যে করার জন্য আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি বলেন প্রতিমন্ত্রী।


প্রিন্ট