ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক স্ত্রীকে আনতে গিয়ে অভিমান, শ্রীপুরে পিকআপ চালকের মৃত্যু কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আ/সামী গ্রে/ফতার বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

ভিডিও এডিটিং হোক আপনার ক্যারিয়ারের রোডম্যাপ

নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি সহ অনেক কিছুই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে।আর সেই সাথে বাড়ছে অনলাইন প্রেজেন্টেশন তথা ভিডিও এডিটিং’র গুরুত্ব।

ভিডিও এডিটিং হল একটি ভিডিও ফুটেজকে এডিটিং’র মাধ্যমে পছন্দশীলভাবে ফুটিয়ে তোলা।

ভিডিও এডিটিং বলতে আসলে যে কাজ গুলো করতে হয় সেগুলো হল:- Correction, Organization, Modifications and Accurate. একজন ভিডিও এডিটরকে এ কাজগুলোর উপর ভাল দক্ষতা থাকতে হয়। এটি হচ্ছে একটি পোস্ট প্রোডাকশন কাজ। যেখানে ভিডিওর টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার কারেকশন, সাউন্ড মিক্সিং, ইফেক্ট সহ সব ধরণের কাজ করা হয়, বিশেষ করে নন লিনিয়ার বা কম্পিউটার এডিটিং এর জন্য। এই অংশে আমরা এর টেকনিক্যাল ব্যাপারে জানবো এবং বিস্তারিত ভাবে জানবো, কেন নন লিনিয়ার এডিটিংকে পোস্ট প্রোডাকশন কাজ বলা হয়।

নন লিনিয়ার এডিটিং এ একজন এডিটর নিম্নলিখিত কাজগুলো করে থাকেন:

শুটিং এর সময় যে ফুটেজ নেয়া হয় তাতে এমন কোন গল্প তৈারী হয় না, যেট এডিট প্যানেলে সম্ভব। এবং আনুসাংগিক আরো অনেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রডাকশনটি দর্শক প্রিয় করে তোলা।

১.অপ্রয়োজনীয় ফুটেজ বাদ দেয়া: ভিডিও এডিটিং এর একটি অপরিহার্য কাজ হচ্ছে ভিডিও ফুটেজের অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে বাদ দেয়া। ভিডিওতে অনেক ধরণের শট থাকতে পারে যা অপ্রয়োজনীয়, তাই সেগুলো বাদ দিয়ে এডিটিং এর কাজটি আরও সহজ ও সুন্দর করা সম্ভব।

২.ভাল ফুটেজগুলোকে আলাদা করা: ভিডিও শুট করার পর ভাল এবং প্রয়োজনীয় ফুটেজগুলোকে আলাদা করে রাখা। তার জন্য আপনাকে আগেই ভেবে নিতে হবে আপনি গল্পের সাথে মিলিয়ে কি কি শট ব্যাবহার করবেন। এরপর ফুটেজগুলোকে প্রয়োজন অনুসারে এডিটিং এর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়।

৩.গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করা: ভিডিও এডিটিং এর এই অংশটি ভিডিওতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করলে ভিডিওকে আরও বেশি আকর্ষনীয় করে তোলা যায় । যার ফলে দর্শক আকৃস্ট হয়।

৪.ভিজুয়্যাল ইফেক্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট: একজন ভালো ভিডিও এডিটর ফুটেজে কি ধরণের ইফেক্ট ব্যাবহার করা উচিত সেই সর্ম্পকে জানে,বোঝে। ভিডিওর সঙ্গে সাউন্ড ইফেক্ট এবং বিভিন্ন ভিজুয়াল ইফেক্ট ব্যাবহার করে ভিডিওকে আরও বেশি প্রানবন্ত এবং আকর্ষনীয় করে তোলা হয়।

৫. ভিডিও দ্বারা একটি নিদিষ্ট ঘটনা সাজানো: একটি ভিডিও নিদিষ্ট ঘটনার বর্ণনা করে কোন ধরনের ধারাভাষ্য বা লেখা ছাড়াই। ভিডিও এডিটর তার দক্ষতার সাহায্যে সেই তথ্য একজন দর্শককে পরিপূর্ণভাবে বোঝাতে পারেন। বিশেষ করে যারা শব্দ শোনে না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক

ভিডিও এডিটিং হোক আপনার ক্যারিয়ারের রোডম্যাপ

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১

নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি সহ অনেক কিছুই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে।আর সেই সাথে বাড়ছে অনলাইন প্রেজেন্টেশন তথা ভিডিও এডিটিং’র গুরুত্ব।

ভিডিও এডিটিং হল একটি ভিডিও ফুটেজকে এডিটিং’র মাধ্যমে পছন্দশীলভাবে ফুটিয়ে তোলা।

ভিডিও এডিটিং বলতে আসলে যে কাজ গুলো করতে হয় সেগুলো হল:- Correction, Organization, Modifications and Accurate. একজন ভিডিও এডিটরকে এ কাজগুলোর উপর ভাল দক্ষতা থাকতে হয়। এটি হচ্ছে একটি পোস্ট প্রোডাকশন কাজ। যেখানে ভিডিওর টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার কারেকশন, সাউন্ড মিক্সিং, ইফেক্ট সহ সব ধরণের কাজ করা হয়, বিশেষ করে নন লিনিয়ার বা কম্পিউটার এডিটিং এর জন্য। এই অংশে আমরা এর টেকনিক্যাল ব্যাপারে জানবো এবং বিস্তারিত ভাবে জানবো, কেন নন লিনিয়ার এডিটিংকে পোস্ট প্রোডাকশন কাজ বলা হয়।

নন লিনিয়ার এডিটিং এ একজন এডিটর নিম্নলিখিত কাজগুলো করে থাকেন:

শুটিং এর সময় যে ফুটেজ নেয়া হয় তাতে এমন কোন গল্প তৈারী হয় না, যেট এডিট প্যানেলে সম্ভব। এবং আনুসাংগিক আরো অনেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রডাকশনটি দর্শক প্রিয় করে তোলা।

১.অপ্রয়োজনীয় ফুটেজ বাদ দেয়া: ভিডিও এডিটিং এর একটি অপরিহার্য কাজ হচ্ছে ভিডিও ফুটেজের অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে বাদ দেয়া। ভিডিওতে অনেক ধরণের শট থাকতে পারে যা অপ্রয়োজনীয়, তাই সেগুলো বাদ দিয়ে এডিটিং এর কাজটি আরও সহজ ও সুন্দর করা সম্ভব।

২.ভাল ফুটেজগুলোকে আলাদা করা: ভিডিও শুট করার পর ভাল এবং প্রয়োজনীয় ফুটেজগুলোকে আলাদা করে রাখা। তার জন্য আপনাকে আগেই ভেবে নিতে হবে আপনি গল্পের সাথে মিলিয়ে কি কি শট ব্যাবহার করবেন। এরপর ফুটেজগুলোকে প্রয়োজন অনুসারে এডিটিং এর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়।

৩.গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করা: ভিডিও এডিটিং এর এই অংশটি ভিডিওতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করলে ভিডিওকে আরও বেশি আকর্ষনীয় করে তোলা যায় । যার ফলে দর্শক আকৃস্ট হয়।

৪.ভিজুয়্যাল ইফেক্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট: একজন ভালো ভিডিও এডিটর ফুটেজে কি ধরণের ইফেক্ট ব্যাবহার করা উচিত সেই সর্ম্পকে জানে,বোঝে। ভিডিওর সঙ্গে সাউন্ড ইফেক্ট এবং বিভিন্ন ভিজুয়াল ইফেক্ট ব্যাবহার করে ভিডিওকে আরও বেশি প্রানবন্ত এবং আকর্ষনীয় করে তোলা হয়।

৫. ভিডিও দ্বারা একটি নিদিষ্ট ঘটনা সাজানো: একটি ভিডিও নিদিষ্ট ঘটনার বর্ণনা করে কোন ধরনের ধারাভাষ্য বা লেখা ছাড়াই। ভিডিও এডিটর তার দক্ষতার সাহায্যে সেই তথ্য একজন দর্শককে পরিপূর্ণভাবে বোঝাতে পারেন। বিশেষ করে যারা শব্দ শোনে না।


প্রিন্ট