ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

ভিডিও এডিটিং হোক আপনার ক্যারিয়ারের রোডম্যাপ

নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি সহ অনেক কিছুই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে।আর সেই সাথে বাড়ছে অনলাইন প্রেজেন্টেশন তথা ভিডিও এডিটিং’র গুরুত্ব।

ভিডিও এডিটিং হল একটি ভিডিও ফুটেজকে এডিটিং’র মাধ্যমে পছন্দশীলভাবে ফুটিয়ে তোলা।

ভিডিও এডিটিং বলতে আসলে যে কাজ গুলো করতে হয় সেগুলো হল:- Correction, Organization, Modifications and Accurate. একজন ভিডিও এডিটরকে এ কাজগুলোর উপর ভাল দক্ষতা থাকতে হয়। এটি হচ্ছে একটি পোস্ট প্রোডাকশন কাজ। যেখানে ভিডিওর টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার কারেকশন, সাউন্ড মিক্সিং, ইফেক্ট সহ সব ধরণের কাজ করা হয়, বিশেষ করে নন লিনিয়ার বা কম্পিউটার এডিটিং এর জন্য। এই অংশে আমরা এর টেকনিক্যাল ব্যাপারে জানবো এবং বিস্তারিত ভাবে জানবো, কেন নন লিনিয়ার এডিটিংকে পোস্ট প্রোডাকশন কাজ বলা হয়।

নন লিনিয়ার এডিটিং এ একজন এডিটর নিম্নলিখিত কাজগুলো করে থাকেন:

শুটিং এর সময় যে ফুটেজ নেয়া হয় তাতে এমন কোন গল্প তৈারী হয় না, যেট এডিট প্যানেলে সম্ভব। এবং আনুসাংগিক আরো অনেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রডাকশনটি দর্শক প্রিয় করে তোলা।

১.অপ্রয়োজনীয় ফুটেজ বাদ দেয়া: ভিডিও এডিটিং এর একটি অপরিহার্য কাজ হচ্ছে ভিডিও ফুটেজের অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে বাদ দেয়া। ভিডিওতে অনেক ধরণের শট থাকতে পারে যা অপ্রয়োজনীয়, তাই সেগুলো বাদ দিয়ে এডিটিং এর কাজটি আরও সহজ ও সুন্দর করা সম্ভব।

২.ভাল ফুটেজগুলোকে আলাদা করা: ভিডিও শুট করার পর ভাল এবং প্রয়োজনীয় ফুটেজগুলোকে আলাদা করে রাখা। তার জন্য আপনাকে আগেই ভেবে নিতে হবে আপনি গল্পের সাথে মিলিয়ে কি কি শট ব্যাবহার করবেন। এরপর ফুটেজগুলোকে প্রয়োজন অনুসারে এডিটিং এর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়।

৩.গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করা: ভিডিও এডিটিং এর এই অংশটি ভিডিওতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করলে ভিডিওকে আরও বেশি আকর্ষনীয় করে তোলা যায় । যার ফলে দর্শক আকৃস্ট হয়।

৪.ভিজুয়্যাল ইফেক্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট: একজন ভালো ভিডিও এডিটর ফুটেজে কি ধরণের ইফেক্ট ব্যাবহার করা উচিত সেই সর্ম্পকে জানে,বোঝে। ভিডিওর সঙ্গে সাউন্ড ইফেক্ট এবং বিভিন্ন ভিজুয়াল ইফেক্ট ব্যাবহার করে ভিডিওকে আরও বেশি প্রানবন্ত এবং আকর্ষনীয় করে তোলা হয়।

৫. ভিডিও দ্বারা একটি নিদিষ্ট ঘটনা সাজানো: একটি ভিডিও নিদিষ্ট ঘটনার বর্ণনা করে কোন ধরনের ধারাভাষ্য বা লেখা ছাড়াই। ভিডিও এডিটর তার দক্ষতার সাহায্যে সেই তথ্য একজন দর্শককে পরিপূর্ণভাবে বোঝাতে পারেন। বিশেষ করে যারা শব্দ শোনে না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

ভিডিও এডিটিং হোক আপনার ক্যারিয়ারের রোডম্যাপ

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১

নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি সহ অনেক কিছুই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে।আর সেই সাথে বাড়ছে অনলাইন প্রেজেন্টেশন তথা ভিডিও এডিটিং’র গুরুত্ব।

ভিডিও এডিটিং হল একটি ভিডিও ফুটেজকে এডিটিং’র মাধ্যমে পছন্দশীলভাবে ফুটিয়ে তোলা।

ভিডিও এডিটিং বলতে আসলে যে কাজ গুলো করতে হয় সেগুলো হল:- Correction, Organization, Modifications and Accurate. একজন ভিডিও এডিটরকে এ কাজগুলোর উপর ভাল দক্ষতা থাকতে হয়। এটি হচ্ছে একটি পোস্ট প্রোডাকশন কাজ। যেখানে ভিডিওর টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার কারেকশন, সাউন্ড মিক্সিং, ইফেক্ট সহ সব ধরণের কাজ করা হয়, বিশেষ করে নন লিনিয়ার বা কম্পিউটার এডিটিং এর জন্য। এই অংশে আমরা এর টেকনিক্যাল ব্যাপারে জানবো এবং বিস্তারিত ভাবে জানবো, কেন নন লিনিয়ার এডিটিংকে পোস্ট প্রোডাকশন কাজ বলা হয়।

নন লিনিয়ার এডিটিং এ একজন এডিটর নিম্নলিখিত কাজগুলো করে থাকেন:

শুটিং এর সময় যে ফুটেজ নেয়া হয় তাতে এমন কোন গল্প তৈারী হয় না, যেট এডিট প্যানেলে সম্ভব। এবং আনুসাংগিক আরো অনেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রডাকশনটি দর্শক প্রিয় করে তোলা।

১.অপ্রয়োজনীয় ফুটেজ বাদ দেয়া: ভিডিও এডিটিং এর একটি অপরিহার্য কাজ হচ্ছে ভিডিও ফুটেজের অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে বাদ দেয়া। ভিডিওতে অনেক ধরণের শট থাকতে পারে যা অপ্রয়োজনীয়, তাই সেগুলো বাদ দিয়ে এডিটিং এর কাজটি আরও সহজ ও সুন্দর করা সম্ভব।

২.ভাল ফুটেজগুলোকে আলাদা করা: ভিডিও শুট করার পর ভাল এবং প্রয়োজনীয় ফুটেজগুলোকে আলাদা করে রাখা। তার জন্য আপনাকে আগেই ভেবে নিতে হবে আপনি গল্পের সাথে মিলিয়ে কি কি শট ব্যাবহার করবেন। এরপর ফুটেজগুলোকে প্রয়োজন অনুসারে এডিটিং এর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়।

৩.গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করা: ভিডিও এডিটিং এর এই অংশটি ভিডিওতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গ্রাফিক্স ও মিউজিক যোগ করলে ভিডিওকে আরও বেশি আকর্ষনীয় করে তোলা যায় । যার ফলে দর্শক আকৃস্ট হয়।

৪.ভিজুয়্যাল ইফেক্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট: একজন ভালো ভিডিও এডিটর ফুটেজে কি ধরণের ইফেক্ট ব্যাবহার করা উচিত সেই সর্ম্পকে জানে,বোঝে। ভিডিওর সঙ্গে সাউন্ড ইফেক্ট এবং বিভিন্ন ভিজুয়াল ইফেক্ট ব্যাবহার করে ভিডিওকে আরও বেশি প্রানবন্ত এবং আকর্ষনীয় করে তোলা হয়।

৫. ভিডিও দ্বারা একটি নিদিষ্ট ঘটনা সাজানো: একটি ভিডিও নিদিষ্ট ঘটনার বর্ণনা করে কোন ধরনের ধারাভাষ্য বা লেখা ছাড়াই। ভিডিও এডিটর তার দক্ষতার সাহায্যে সেই তথ্য একজন দর্শককে পরিপূর্ণভাবে বোঝাতে পারেন। বিশেষ করে যারা শব্দ শোনে না।


প্রিন্ট