ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

চীনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১ অক্টোবর) আলাদা চিঠিতে তারা চীনের সরকার ও জনগণকে এ শুভেচ্ছা জানান। ঢাকায় চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংকে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকেও শুভেচ্ছাপত্র দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার চিঠিতে বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পথ চলছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্কের অবিশ্বাস্য উন্নতি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ও গভীর হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

দেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট, সরকার ও বন্ধুবৎসল জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রয়েছে। আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম শীর্ষ অংশীদার চীন। আমাদের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, বিশেষ করে বিগত এক দশকে।

২০১৬ সালে শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময় আমরা নিজেদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌগলগত অংশীদারত্বে সম্প্রসারিত করার বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছিলাম। কৌশলগত অংশীদারত্বের সম্ভাবনা উপলব্ধি করতে আরও সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনের এটাই সেরা সময়।

২০১৯ সালে নিজের চীন সফর ও সেখানে প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও গভীর হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

চীনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

আপডেট টাইম : ১১:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২

চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১ অক্টোবর) আলাদা চিঠিতে তারা চীনের সরকার ও জনগণকে এ শুভেচ্ছা জানান। ঢাকায় চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংকে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকেও শুভেচ্ছাপত্র দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার চিঠিতে বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পথ চলছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্কের অবিশ্বাস্য উন্নতি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ও গভীর হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

দেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট, সরকার ও বন্ধুবৎসল জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রয়েছে। আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম শীর্ষ অংশীদার চীন। আমাদের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, বিশেষ করে বিগত এক দশকে।

২০১৬ সালে শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময় আমরা নিজেদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌগলগত অংশীদারত্বে সম্প্রসারিত করার বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছিলাম। কৌশলগত অংশীদারত্বের সম্ভাবনা উপলব্ধি করতে আরও সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনের এটাই সেরা সময়।

২০১৯ সালে নিজের চীন সফর ও সেখানে প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও গভীর হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।


প্রিন্ট