ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

ইউরোপে এক বছরে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে পশ্চিম ইউরোপে চলতি বছর ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে কেবল ফ্রান্সেই মারা গেছেন ১০ হাজারের বেশি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এদিকে পশ্চিম ইউরোপজুড়ে দাবদাহের কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন না কমানো গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা তাদের।

চলতি বছর গ্রীষ্মে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখেছে ইউরোপ। দাবানলে পুড়েছে অনেক এলাকা, ছিল খরাও। যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন প্রকাশিত তথ্য বলছে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

চলতি গ্রীষ্মে লন্ডনের গড় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪২ এবং স্পেনে গড় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রির ওপরে। এ বছরের ১ জুন থেকে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্রিটেন এবং ওয়েলসে দাবদাহের কারণে ৩ হাজার ২৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা বিগত পাঁচ বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু দেখেছে ফ্রান্স। এ বছরের গ্রীষ্মে দেশটিতে ১০ হাজার ৪২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে স্পেন ও জার্মানিতে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি এবং পর্তুগালে ৩ হাজার ২০০ মানুষ মারা গেছেন।

পশ্চিম ইউরোপজুড়ে দাবদাহের প্রধান কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা তাদের।

বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমানোর যে লক্ষ্য ধনী দেশগুলো নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব বলেও মনে করছেন অনেকে।

আর উষ্ণায়ন না কমানো গেলে দাবদাহ, খরা ও দাবানলে বিভিন্ন দেশ বিপর্যস্ত হবে এবং এতে প্রাণহানি আরও বাড়বে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

ইউরোপে এক বছরে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু

আপডেট টাইম : ১০:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে পশ্চিম ইউরোপে চলতি বছর ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে কেবল ফ্রান্সেই মারা গেছেন ১০ হাজারের বেশি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এদিকে পশ্চিম ইউরোপজুড়ে দাবদাহের কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন না কমানো গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা তাদের।

চলতি বছর গ্রীষ্মে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখেছে ইউরোপ। দাবানলে পুড়েছে অনেক এলাকা, ছিল খরাও। যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন প্রকাশিত তথ্য বলছে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

চলতি গ্রীষ্মে লন্ডনের গড় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪২ এবং স্পেনে গড় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রির ওপরে। এ বছরের ১ জুন থেকে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্রিটেন এবং ওয়েলসে দাবদাহের কারণে ৩ হাজার ২৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা বিগত পাঁচ বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু দেখেছে ফ্রান্স। এ বছরের গ্রীষ্মে দেশটিতে ১০ হাজার ৪২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে স্পেন ও জার্মানিতে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি এবং পর্তুগালে ৩ হাজার ২০০ মানুষ মারা গেছেন।

পশ্চিম ইউরোপজুড়ে দাবদাহের প্রধান কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা তাদের।

বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমানোর যে লক্ষ্য ধনী দেশগুলো নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব বলেও মনে করছেন অনেকে।

আর উষ্ণায়ন না কমানো গেলে দাবদাহ, খরা ও দাবানলে বিভিন্ন দেশ বিপর্যস্ত হবে এবং এতে প্রাণহানি আরও বাড়বে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।


প্রিন্ট