ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

ভারতের ওডিশার মারধরের ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে অপপ্রচার: ফ্যাক্টওয়াচ

 ভারতের ওডিশা রাজ্যের একটি মারধরের ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের ওডিশা রাজ্যে মনোরঞ্জন সাবাত  (Manoranjan Sabat) নামের এক কনস্টেবলকে মারধরের ঘটনা।

ফ্যাক্টওয়াচ অনুসন্ধান টিম জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে দুই ব্যক্তি নির্মমভাবে মারধর করছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে ঘটনাটি বাংলাদেশের বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঘটনাটি ভারতের ওডিশা রাজ্যের। সেখানে মনোরঞ্জন সাবাত নামের এক কনস্টেবলকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ভিডিওটির কয়েকটি কী-ফ্রেম ব্যবহার করে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপলোড করা ওডিশা টেলিভিশন (ওটিভি)-এর ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওডিশার কান্ধামাল জেলার ফুলবানি এলাকায় জগন্নাথ টেম্পল স্কয়ারের কাছে দিনের আলোতেই মনোরঞ্জন সাবাত নামের এক কনস্টেবলের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। সড়কের মাঝখানে উপস্থিত লোকজনের সামনেই এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, দুই ব্যক্তি তাকে লাথি মেরে ও বেধড়ক মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। ভিডিও প্রতিবেদনের দৃশ্যের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির মিল পাওয়া গেছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।

দেশে গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে ফ্যাক্টওয়াচ কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ অনুমোদিত এবং সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ (সিকিউএস) পরিচালিত একটি স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। এসব বিষয় নিয়মিত যাচাই করে সত্য তুলে ধরা এবং গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে ফ্যাক্টওয়াচ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

ভারতের ওডিশার মারধরের ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে অপপ্রচার: ফ্যাক্টওয়াচ

আপডেট টাইম : ১২:০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 ভারতের ওডিশা রাজ্যের একটি মারধরের ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের ওডিশা রাজ্যে মনোরঞ্জন সাবাত  (Manoranjan Sabat) নামের এক কনস্টেবলকে মারধরের ঘটনা।

ফ্যাক্টওয়াচ অনুসন্ধান টিম জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে দুই ব্যক্তি নির্মমভাবে মারধর করছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে ঘটনাটি বাংলাদেশের বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঘটনাটি ভারতের ওডিশা রাজ্যের। সেখানে মনোরঞ্জন সাবাত নামের এক কনস্টেবলকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ভিডিওটির কয়েকটি কী-ফ্রেম ব্যবহার করে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপলোড করা ওডিশা টেলিভিশন (ওটিভি)-এর ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওডিশার কান্ধামাল জেলার ফুলবানি এলাকায় জগন্নাথ টেম্পল স্কয়ারের কাছে দিনের আলোতেই মনোরঞ্জন সাবাত নামের এক কনস্টেবলের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। সড়কের মাঝখানে উপস্থিত লোকজনের সামনেই এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, দুই ব্যক্তি তাকে লাথি মেরে ও বেধড়ক মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। ভিডিও প্রতিবেদনের দৃশ্যের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির মিল পাওয়া গেছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।

দেশে গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে ফ্যাক্টওয়াচ কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ অনুমোদিত এবং সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ (সিকিউএস) পরিচালিত একটি স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। এসব বিষয় নিয়মিত যাচাই করে সত্য তুলে ধরা এবং গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে ফ্যাক্টওয়াচ।


প্রিন্ট