সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুক্রবার ভোরে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে। দুই দেশের কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে সৌদি আরব বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে।
দুবাই থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশ বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইরানি আগ্রাসনের’ ফলে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি গুদামে আগুন ধরে যায়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এতে কেউ হতাহত হয়নি। এর আগে মন্ত্রণালয়টি জানায়, হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।
কুয়েত সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকির’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি ‘ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির’ কথা জানিয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের বাহিনী দেশের পূর্বাঞ্চলে ছয়টি এবং উত্তরাঞ্চলে একটি ড্রোন ‘আটকে দিয়ে ধ্বংস’ করেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ড্রোন হামলায় লোহিত সাগরের উপকূলে সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া কুয়েতের দুটি শোধনাগারেও আগুনের ঘটনা ঘটে। ইরান বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে।
গত বুধবার কাতারস্থ বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসকেন্দ্র ‘রাস লাফান’-এ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পর এসব হামলা শুরু হয়। মূলত ইসরাইল ইরানের ‘সাউথ পার্স’ গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা চালালে তার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান এই পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।