ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

জাইমা রহমানের চেলসির বয়স ভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়ার খবর নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

 

নিজস্ব প্রতিবেদক( ২৩ মার্চ) :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা সংবাদমাধ্যমকে জানান।

আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়। সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন যে, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

জাইমা রহমানের চেলসির বয়স ভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়ার খবর নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক( ২৩ মার্চ) :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা সংবাদমাধ্যমকে জানান।

আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়। সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন যে, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।


প্রিন্ট