ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

বর্তমান সরকারের সময়েই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করতে হবে: শামসুজ্জামান দুদু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুটি পদ্মা সেতুর কথা বলেছিলেন, যে জায়গায় পদ্মা সেতু হওয়ার জন্য আন্দোলন ছিল সেখানে হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। বর্তমান সরকারের সময়েই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করতে হবে বলে দাবি জানান তিনি।

রোববার (৩ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া-কাজীরহাট’ দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর দাবিতে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, ৩০ থেকে ৪০ বছর আগে যখন ছাত্রনেতা ছিলাম, তখন থেকেই এই রোডে পদ্মা সেতুর দাবি উঠেছে। ব্রিটিশ ভারতের সময় পদ্মার ওপারের মানুষ শিক্ষায়, ব্যবসায় অনেক এগিয়ে ছিলেন। কারণ, সে সময় রাজধানী ছিল কলকাতায়। তখন ওই অঞ্চলের মানুষদের পদ্মা পার হয়ে ঢাকায় আসতে হতো না। ওদিকে সরাসরি কলকাতায় যেতো।

তিনি বলেন, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। এখন দাবি আমাদের একটাই ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া’নৌ-রুটে দ্বিতীয় পদ্মা ব্রিজ করতে হবে।

দ্বিতীয় পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি ডা. আবু তোহা বলেন, ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া-কাজীরহাট’-রুটে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এখন সময়ের দাবি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। এটি শুধু একটি সেতু নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন ও আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর জন্য একটি কৌশলগত অবকাঠামো হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ফেরি নির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা অনির্ভরশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ। শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনার কারণে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে এই অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হবে।

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, মানিকগঞ্জের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র উপায় ‘পাটুরিয়া-কাজীরহাট’-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু। এটি বাস্তবায়ন হলে রাজবাড়ি, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়াসহ আশপাশের সব জেলার মানুষ উপকৃত হবে। সাভার যেহেতু একটি শিল্প এলাকা-এর সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হলে দুর্ঘটনা কমে যাবে। বিভিন্ন সময় ফেরি চলাচলে দুর্ঘটনার শিকার হয়। শীতকালে ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচলে বিঘ্নিত হয়। সেতু হলে এই অঞ্চলের মানুষ এসব থেকে মুক্তি পাবে বলে তারা দাবি করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

বর্তমান সরকারের সময়েই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করতে হবে: শামসুজ্জামান দুদু

আপডেট টাইম : ০৩:৫৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুটি পদ্মা সেতুর কথা বলেছিলেন, যে জায়গায় পদ্মা সেতু হওয়ার জন্য আন্দোলন ছিল সেখানে হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। বর্তমান সরকারের সময়েই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করতে হবে বলে দাবি জানান তিনি।

রোববার (৩ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া-কাজীরহাট’ দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর দাবিতে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, ৩০ থেকে ৪০ বছর আগে যখন ছাত্রনেতা ছিলাম, তখন থেকেই এই রোডে পদ্মা সেতুর দাবি উঠেছে। ব্রিটিশ ভারতের সময় পদ্মার ওপারের মানুষ শিক্ষায়, ব্যবসায় অনেক এগিয়ে ছিলেন। কারণ, সে সময় রাজধানী ছিল কলকাতায়। তখন ওই অঞ্চলের মানুষদের পদ্মা পার হয়ে ঢাকায় আসতে হতো না। ওদিকে সরাসরি কলকাতায় যেতো।

তিনি বলেন, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। এখন দাবি আমাদের একটাই ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া’নৌ-রুটে দ্বিতীয় পদ্মা ব্রিজ করতে হবে।

দ্বিতীয় পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি ডা. আবু তোহা বলেন, ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া-কাজীরহাট’-রুটে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এখন সময়ের দাবি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। এটি শুধু একটি সেতু নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন ও আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর জন্য একটি কৌশলগত অবকাঠামো হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ফেরি নির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা অনির্ভরশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ। শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনার কারণে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে এই অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হবে।

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, মানিকগঞ্জের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র উপায় ‘পাটুরিয়া-কাজীরহাট’-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু। এটি বাস্তবায়ন হলে রাজবাড়ি, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়াসহ আশপাশের সব জেলার মানুষ উপকৃত হবে। সাভার যেহেতু একটি শিল্প এলাকা-এর সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হলে দুর্ঘটনা কমে যাবে। বিভিন্ন সময় ফেরি চলাচলে দুর্ঘটনার শিকার হয়। শীতকালে ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচলে বিঘ্নিত হয়। সেতু হলে এই অঞ্চলের মানুষ এসব থেকে মুক্তি পাবে বলে তারা দাবি করেন।


প্রিন্ট