ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মাদক-বাল্যবিয়ে-গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক মরক্কো থেকে ৭০ হাজার টন সার কিনবে সরকার, ব্যয় ৬৮৮ কোটি টাকা রিজভিঃ জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নেয়নি রংপুরে সাংবাদিক উৎস হত্যা : একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে ইরানকে সহায়তা করছে রাশিয়া চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপিকে ঘিরে শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক

নিহত বিএনপি ইউনিট সাধারণ সম্পাদক বাসারের এতিম দুই সন্তানের দায়িত্ব নেবে কে ও জনমনে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকার আদাবর থানা এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিএনপির ইউনিট সাধারণ সম্পাদক বাসার। এ ঘটনায় একই সংগঠনের ইউনিট সভাপতি সাদ্দামও গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

 

 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দুই পক্ষ আলোচনায় বসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বাসারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।

 

 

তাকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 
একই ঘটনায় আহত সাদ্দাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার স্বজনরা দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপির নেতা মনোয়ার হোসেন জীবন এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

 
কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা কামরুল ইসলাম জুয়েলও নিহত বাসারের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং আহত সাদ্দামের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশা করেন।

 
বাসারের মৃত্যুর পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ও তার রেখে যাওয়া দুই এতিম সন্তানের দায়িত্ব কে নেবে , এই প্রশ্ন এখন শুধু পরিবারের নয়, এলাকাবাসী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

 
এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তাদের প্রত্যাশা, নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস

নিহত বিএনপি ইউনিট সাধারণ সম্পাদক বাসারের এতিম দুই সন্তানের দায়িত্ব নেবে কে ও জনমনে প্রশ্ন

আপডেট টাইম : ০৫:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকার আদাবর থানা এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিএনপির ইউনিট সাধারণ সম্পাদক বাসার। এ ঘটনায় একই সংগঠনের ইউনিট সভাপতি সাদ্দামও গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

 

 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দুই পক্ষ আলোচনায় বসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বাসারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।

 

 

তাকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 
একই ঘটনায় আহত সাদ্দাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার স্বজনরা দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপির নেতা মনোয়ার হোসেন জীবন এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

 
কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা কামরুল ইসলাম জুয়েলও নিহত বাসারের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং আহত সাদ্দামের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশা করেন।

 
বাসারের মৃত্যুর পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ও তার রেখে যাওয়া দুই এতিম সন্তানের দায়িত্ব কে নেবে , এই প্রশ্ন এখন শুধু পরিবারের নয়, এলাকাবাসী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

 
এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তাদের প্রত্যাশা, নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


প্রিন্ট