ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু উল্লাপাড়ায় তাঁত বোর্ড চেয়ারম্যানকে ইউসুফ সরকারের ফুলেল শুভেচ্ছা উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় শিক্ষক নিহত কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল রহমান সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাংবিধানিক নিয়মেই হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের জন্য নতুন পরিকল্পনা ‘প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের’ টিচার্স ট্রেনিং কলেজে মাস্টার অব এডুকেশন-২০২৫ এর গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পিরোজপুর পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

গার্মেন্টের কর্মীরা ছুটি শেষে এসে দেখে গার্মেন্ট বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: রাজধানীর শ্যামলীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে আলিফ অ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টের কর্মীরা। শ্রমিকরা জানান, নোটিশ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাই তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়।
শ্রমিকরা জানান, গত ১১ আগস্ট তারা ঈদের ছুটিতে যান। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ গার্মেন্ট খোলার কথা ছিল। সকালে এসে তারা গার্মেন্টের গেটে তালা দেখতে পান। এছাড়া গেটে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। আজ থেকে গার্মেন্ট বন্ধ এমন একটি নোটিশ গেটে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়।

এরপরই সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে শ্যামলী থেকে কল্যাণপুরের সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ ।

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বুলবুল সিটিজেন নিউজকে বলেন, সর্বশেষ বেলা ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জিজি বিশ্বাসসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

এদিকে অবরোধের বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক আলেয়া বেগম বলেন, আমাদের না জানিয়ে সকালে গার্মেন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমাদের অন্তত একবার জানাতে পারতো। আমরা বেতন পাইনি, গার্মেন্টের গেটের সামনে ২ ঘণ্টা ধরে বসা। কেউ কোন কথা বলে না। কেউ কোন সমাধান দিতে না পাড়ায় আমরা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

আরেক শ্রমিক বলেন, বিজিএমইএ’র বিধান অনুযায়ী একটি গার্মেন্ট বন্ধের তিন মাস আগে শ্রমিকদের অবহিত করে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হয়। আমাদের বেতন-বোনাসসহ পাওনা টাকা দিতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে আমরা সড়কেই থাকব।

সাখাওয়াত হোসেন নামে এক শ্রমিক বলেন, একই গার্মেন্টে পাওনা বেতনের জন্য কয়েকমাস আগে আমরা সড়কে নেমে আন্দোলন করেছিলাম। তখন মালিকপক্ষ বলেছিল ৬ মাসের মধ্যে আমাদের পাওনা পরিশোধ করে দেবে। কিন্তু এখন কিছু না বলে হঠাৎ গার্মেন্ট বন্ধ করে দিলো।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু

গার্মেন্টের কর্মীরা ছুটি শেষে এসে দেখে গার্মেন্ট বন্ধ

আপডেট টাইম : ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: রাজধানীর শ্যামলীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে আলিফ অ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টের কর্মীরা। শ্রমিকরা জানান, নোটিশ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাই তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়।
শ্রমিকরা জানান, গত ১১ আগস্ট তারা ঈদের ছুটিতে যান। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ গার্মেন্ট খোলার কথা ছিল। সকালে এসে তারা গার্মেন্টের গেটে তালা দেখতে পান। এছাড়া গেটে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। আজ থেকে গার্মেন্ট বন্ধ এমন একটি নোটিশ গেটে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়।

এরপরই সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে শ্যামলী থেকে কল্যাণপুরের সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ ।

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বুলবুল সিটিজেন নিউজকে বলেন, সর্বশেষ বেলা ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জিজি বিশ্বাসসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

এদিকে অবরোধের বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক আলেয়া বেগম বলেন, আমাদের না জানিয়ে সকালে গার্মেন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমাদের অন্তত একবার জানাতে পারতো। আমরা বেতন পাইনি, গার্মেন্টের গেটের সামনে ২ ঘণ্টা ধরে বসা। কেউ কোন কথা বলে না। কেউ কোন সমাধান দিতে না পাড়ায় আমরা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

আরেক শ্রমিক বলেন, বিজিএমইএ’র বিধান অনুযায়ী একটি গার্মেন্ট বন্ধের তিন মাস আগে শ্রমিকদের অবহিত করে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হয়। আমাদের বেতন-বোনাসসহ পাওনা টাকা দিতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে আমরা সড়কেই থাকব।

সাখাওয়াত হোসেন নামে এক শ্রমিক বলেন, একই গার্মেন্টে পাওনা বেতনের জন্য কয়েকমাস আগে আমরা সড়কে নেমে আন্দোলন করেছিলাম। তখন মালিকপক্ষ বলেছিল ৬ মাসের মধ্যে আমাদের পাওনা পরিশোধ করে দেবে। কিন্তু এখন কিছু না বলে হঠাৎ গার্মেন্ট বন্ধ করে দিলো।


প্রিন্ট