ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

মাহমুদউল্লাহর অলরাউন্ড নৈপুণ্যেও ম্যাচ ড্র

ক্রীড়া ডেস্ক: ব্যাট হাতে যা করার এক ইনিংসে সুযোগ পেয়েছেন। তবে বল হাতে নিজেকে যেন নতুন করে চেনালেন জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তামিম ইকবালের চট্টগ্রাম বিভাগের সঙ্গে ঢাকা মেট্রোর।

তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, সাদমান ইসলামরা থাকার পরও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অলরাউন্ড নৈপূণ্যই থাকলো আলোচনায়। দুই ইনিংসেই ৩টি করে মোট ৬ উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাট হাতে এক ইনিংস ব্যাট করে রিয়াদ করেছেন ৬৩ রান। ১৩৪ বল খেলে ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কা মারেন তিনি।

তবে মাহমুদউল্লাহর এই অলরাউন্ড নৈপূণ্য সত্ত্বেও ম্যাচের কোনো ফল হলো না। ড্র হয়েছে শেষ পর্যন্ত। তামিম ইকবালের চট্টগ্রাম বিভাগ দুই ইনিংসে ব্যাট করে সংগ্রহ করেছে ২৯০/১০ এবং ২২৭/৫। ঢাকা মেট্রোপলিটন এক ইনিংস ব্যাট করে সংগ্রহ করেছে ৩৫৪ রান।

চতুর্থ দিন শেষ ইনিংসে ভালো ব্যাট করতে করতে আউট হয়ে যান তামিম ইকবাল। তিনি সংগ্রহ করেন ৪৬ রান। তার সঙ্গী ওপেনার পিনাক ঘোষ ১০৯ বল খেলে ৫৭ রান সংগ্রহ করেন। মুমিনুল হক কোনো রানই করতে পারেননি। তাসামুল হক করেন ৫৩ রান এবং মাসুম খান অপরাজিত থাকেন ৬১ রান করে।

দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্য প্রদর্শণ করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

মাহমুদউল্লাহর অলরাউন্ড নৈপুণ্যেও ম্যাচ ড্র

আপডেট টাইম : ১২:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

ক্রীড়া ডেস্ক: ব্যাট হাতে যা করার এক ইনিংসে সুযোগ পেয়েছেন। তবে বল হাতে নিজেকে যেন নতুন করে চেনালেন জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তামিম ইকবালের চট্টগ্রাম বিভাগের সঙ্গে ঢাকা মেট্রোর।

তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, সাদমান ইসলামরা থাকার পরও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অলরাউন্ড নৈপূণ্যই থাকলো আলোচনায়। দুই ইনিংসেই ৩টি করে মোট ৬ উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাট হাতে এক ইনিংস ব্যাট করে রিয়াদ করেছেন ৬৩ রান। ১৩৪ বল খেলে ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কা মারেন তিনি।

তবে মাহমুদউল্লাহর এই অলরাউন্ড নৈপূণ্য সত্ত্বেও ম্যাচের কোনো ফল হলো না। ড্র হয়েছে শেষ পর্যন্ত। তামিম ইকবালের চট্টগ্রাম বিভাগ দুই ইনিংসে ব্যাট করে সংগ্রহ করেছে ২৯০/১০ এবং ২২৭/৫। ঢাকা মেট্রোপলিটন এক ইনিংস ব্যাট করে সংগ্রহ করেছে ৩৫৪ রান।

চতুর্থ দিন শেষ ইনিংসে ভালো ব্যাট করতে করতে আউট হয়ে যান তামিম ইকবাল। তিনি সংগ্রহ করেন ৪৬ রান। তার সঙ্গী ওপেনার পিনাক ঘোষ ১০৯ বল খেলে ৫৭ রান সংগ্রহ করেন। মুমিনুল হক কোনো রানই করতে পারেননি। তাসামুল হক করেন ৫৩ রান এবং মাসুম খান অপরাজিত থাকেন ৬১ রান করে।

দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্য প্রদর্শণ করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।


প্রিন্ট