ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

কাউন্সিলর মঞ্জুর বিরুদ্ধে র‌্যাবের অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছে র‌্যাব। চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে টিকাটুলির নিজ কার্যালয় থেকে কাউন্সিলর মঞ্জুকে গ্রেফতার করার পর র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে রাতে ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দুটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ওয়ারী থানার মামলা নং ২৬ ও ২৭।

এর আগে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে র‌্যাব-৩ সিও সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে পাচার করেছেন।

গত বুধবার রাতে ওয়ারী থানায় দায়েরকৃত এক চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মঞ্জু। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলায়ই তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদির অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব-৩ সিও বলেন, অভিযোগ রয়েছে- কাউন্সিলর মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন এবং সেসব অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। কী পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এটি আইনিভাবে তদন্তের বিষয়। কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেও একজন মাদকসেবী ছিলেন।

চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদী ছিল কাউন্সিলর মঞ্জুর আয়ের উৎস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

কাউন্সিলর মঞ্জুর বিরুদ্ধে র‌্যাবের অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা

আপডেট টাইম : ১১:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছে র‌্যাব। চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে টিকাটুলির নিজ কার্যালয় থেকে কাউন্সিলর মঞ্জুকে গ্রেফতার করার পর র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে রাতে ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দুটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ওয়ারী থানার মামলা নং ২৬ ও ২৭।

এর আগে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে র‌্যাব-৩ সিও সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে পাচার করেছেন।

গত বুধবার রাতে ওয়ারী থানায় দায়েরকৃত এক চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মঞ্জু। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলায়ই তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদির অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব-৩ সিও বলেন, অভিযোগ রয়েছে- কাউন্সিলর মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন এবং সেসব অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। কী পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এটি আইনিভাবে তদন্তের বিষয়। কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেও একজন মাদকসেবী ছিলেন।

চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদী ছিল কাউন্সিলর মঞ্জুর আয়ের উৎস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


প্রিন্ট