ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক স্ত্রীকে আনতে গিয়ে অভিমান, শ্রীপুরে পিকআপ চালকের মৃত্যু কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আ/সামী গ্রে/ফতার বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

বাংলাদেশি এই বাবা-মেয়ে বিল গেটসের চোখে নায়ক

অনলাইন ডেস্ক: বিল গেটস। বিশ্বের বহু মানুষের কাছে তিনি একজন নায়ক হিসেবে পরিচিত, তাকে দেখে অনেকেই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেন। অনেকেই তাবাংলাদেশি এই বাবা-মেয়েকে অনুকরণ কিংবা অনুস্মরণ করেন। কিন্তু সেই নায়কের চোখে বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজের বদলে দেয়ার স্বপ্নে যারা কাজ করছেন তারাও একেকজন নায়ক।

ইতিবাচক কাজে সমাজের রূপ বদলে দেয়ার স্বপ্ন নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের নিয়ে নিয়মিত নিজের ব্লগসাইটে ‘বিল গেটস হিরোস ইন দ্য ফিল্ড’ শিরোনামে ব্লগ লেখেন তিনি। মঙ্গলবার বিল গেটস বাংলাদেশি এক বাবা-মেয়েকে বেছে নিয়েছেন তার এবারের নায়ক হিসেবে।

সেখানে বিল গেটস লিখেছেন, সেঁজুতি সাহা বাংলাদেশে ছোট্ট শিশু হিসেবে বেড়ে ওঠার সময় দেখেছেন কীভাবে রাতের খাবারের টেবিলে তাদের পরিবারের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং সংক্রামক ব্যাধি।

খাবারের সময় এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা অনেকের কাছে অদ্ভূত লাগতে পারে। কিন্তু সেঁজুতি সাহার পরিবারে এটা ঘটতো যখন তার বাবা ডা. সমির সাহা নিজের কাজ নিয়ে বাসায় আলোচনা করতেন। মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক সমির সাহা রাতের খাবারের সময় তার বিজ্ঞান বক্তৃতার অনশীলন করতেন অথবা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে যা জানতে পারতেন সেসব নিয়ে কথা বলতেন।

বাংলাদেশি এই বাবা-মেয়ের খাবার টেবিলে না থাকতে পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিল গেটস। তিনি লিখেছেন, আমার জন্যও যদি ওই টেবিলে একটি চেয়ার থাকত- আমি রোগ সম্পর্কে জানতে পছন্দ করি!

খাবার টেবিলের এসব আলোচনা সেঁজুতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতো; পরে তিনি নিজেকে একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ডা. সেঁজুতি সাহা বর্তমানে তার বাবার সঙ্গে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে (সিএইচআরএফ) কাজ করেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠছে সমির সাহার সহায়তায়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক

বাংলাদেশি এই বাবা-মেয়ে বিল গেটসের চোখে নায়ক

আপডেট টাইম : ১২:০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: বিল গেটস। বিশ্বের বহু মানুষের কাছে তিনি একজন নায়ক হিসেবে পরিচিত, তাকে দেখে অনেকেই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেন। অনেকেই তাবাংলাদেশি এই বাবা-মেয়েকে অনুকরণ কিংবা অনুস্মরণ করেন। কিন্তু সেই নায়কের চোখে বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজের বদলে দেয়ার স্বপ্নে যারা কাজ করছেন তারাও একেকজন নায়ক।

ইতিবাচক কাজে সমাজের রূপ বদলে দেয়ার স্বপ্ন নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের নিয়ে নিয়মিত নিজের ব্লগসাইটে ‘বিল গেটস হিরোস ইন দ্য ফিল্ড’ শিরোনামে ব্লগ লেখেন তিনি। মঙ্গলবার বিল গেটস বাংলাদেশি এক বাবা-মেয়েকে বেছে নিয়েছেন তার এবারের নায়ক হিসেবে।

সেখানে বিল গেটস লিখেছেন, সেঁজুতি সাহা বাংলাদেশে ছোট্ট শিশু হিসেবে বেড়ে ওঠার সময় দেখেছেন কীভাবে রাতের খাবারের টেবিলে তাদের পরিবারের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং সংক্রামক ব্যাধি।

খাবারের সময় এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা অনেকের কাছে অদ্ভূত লাগতে পারে। কিন্তু সেঁজুতি সাহার পরিবারে এটা ঘটতো যখন তার বাবা ডা. সমির সাহা নিজের কাজ নিয়ে বাসায় আলোচনা করতেন। মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক সমির সাহা রাতের খাবারের সময় তার বিজ্ঞান বক্তৃতার অনশীলন করতেন অথবা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে যা জানতে পারতেন সেসব নিয়ে কথা বলতেন।

বাংলাদেশি এই বাবা-মেয়ের খাবার টেবিলে না থাকতে পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিল গেটস। তিনি লিখেছেন, আমার জন্যও যদি ওই টেবিলে একটি চেয়ার থাকত- আমি রোগ সম্পর্কে জানতে পছন্দ করি!

খাবার টেবিলের এসব আলোচনা সেঁজুতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতো; পরে তিনি নিজেকে একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ডা. সেঁজুতি সাহা বর্তমানে তার বাবার সঙ্গে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে (সিএইচআরএফ) কাজ করেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠছে সমির সাহার সহায়তায়।


প্রিন্ট