ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ লেনদেনের মামলায় মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

আদালত প্রতিবেদক: চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের মামলায় পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর ষষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মামলাটির শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গত বছরের ১৬ জুলাই দুদকের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ ফানাফিল্লা বাদী হয়ে দুদকের ঢাকা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

মামলায় বলা হয়, ডিআইজি মিজানুর রহমান অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের ফলাফল নিজের পক্ষে নেয়ার অসৎ উদ্দেশে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করেন। আর এজন্য তিনি অবৈধ পন্থায় অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলায় বলা হয়, দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কমিশন থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিআইজি মো. মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুবিধা দেয়ার সুযোগ করে দেন।

ডিআইজি মিজান সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আশায় ঘুষ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েন, যা দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ লেনদেনের মামলায় মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের মামলায় পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর ষষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মামলাটির শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গত বছরের ১৬ জুলাই দুদকের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ ফানাফিল্লা বাদী হয়ে দুদকের ঢাকা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

মামলায় বলা হয়, ডিআইজি মিজানুর রহমান অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের ফলাফল নিজের পক্ষে নেয়ার অসৎ উদ্দেশে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করেন। আর এজন্য তিনি অবৈধ পন্থায় অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলায় বলা হয়, দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কমিশন থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিআইজি মো. মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুবিধা দেয়ার সুযোগ করে দেন।

ডিআইজি মিজান সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আশায় ঘুষ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েন, যা দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।


প্রিন্ট