ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাসের কারণে নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ রাথতে হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম আরো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। আমাদের বাংলা নববর্ষের উৎসবে এ বছর জনসমাগম হয় তেমন কিছু করা উচিত হবে না। তবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে।

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি ছুটি বাড়াতে হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ছুটি বাড়াতে হতে পারে। অনেকে গ্রামে চলে গেছে। আমাদের হয়তো কয়েকদিন ছুটি বাড়াতে হতে পারে। হয়তো ৯ তারিখ (এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি বাড়াতে হতে পারে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এ বিষয়ে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনসমাগম যাতে না হয়, মানুষ যাতে নিরাপদ থাকে এ জন্য ৭ মার্চের অনুষ্ঠান, স্বাধীনতার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অনেক উন্নত দেশেও অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। অনেকে আক্রান্ত হচ্ছে। সব বিবেচনায় আমরা যথেষ্ট সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। তাই এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। আমাদের আরো সচেতন থাকা দরকার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

করোনাভাইরাসের কারণে নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ

আপডেট টাইম : ১২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ রাথতে হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম আরো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। আমাদের বাংলা নববর্ষের উৎসবে এ বছর জনসমাগম হয় তেমন কিছু করা উচিত হবে না। তবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে।

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি ছুটি বাড়াতে হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ছুটি বাড়াতে হতে পারে। অনেকে গ্রামে চলে গেছে। আমাদের হয়তো কয়েকদিন ছুটি বাড়াতে হতে পারে। হয়তো ৯ তারিখ (এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি বাড়াতে হতে পারে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এ বিষয়ে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনসমাগম যাতে না হয়, মানুষ যাতে নিরাপদ থাকে এ জন্য ৭ মার্চের অনুষ্ঠান, স্বাধীনতার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অনেক উন্নত দেশেও অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। অনেকে আক্রান্ত হচ্ছে। সব বিবেচনায় আমরা যথেষ্ট সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। তাই এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। আমাদের আরো সচেতন থাকা দরকার।


প্রিন্ট