ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

করোনার গান গাইলেন বাপ-বেটা

বিনোদন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতো ঘরবন্দি জীবন পার করছেন কণ্ঠশিল্পী আশীষ। ঘরবন্দি জীবনে সাত বছরের পুত্র অংশুমানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ব্যান্ড দল ‘সং ফর গুড’। দুই সদস্যের এই ব্যান্ড দলের লাইনআপ হলো—গিটার ও কণ্ঠ আশীষ। শেকার ও কণ্ঠ অংশুমান। গানের কথা-সুর করছেন আশীষ।

মূলত চার বছর আগে ‘সং ফর গুড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেন আশীষ। যদিও এতসব করবেন এমনটা তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গত চার বছরে চ্যানেলটি নিয়ে কোনোরকম মাথাও ঘামাননি। আর এই ঘরবন্দি জীবনে সেই নামেই ব্যান্ড দলের নামকরণ করেছেন তিনি।

এই বদ্ধ জীবনে কি করা যায় সেই ভাবনা থেকে জন্ম হয়েছে এই ব্যান্ড দল। আট দিন বয়েসি দলটি এরই মধ্যে পাঁচটি গান উপহার দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এই সংকটকালে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বাইরে কাজ করছেন তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে এসব গান। ব্যান্ডের নামে ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ রয়েছে। আর সেখানে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পিতা-পুত্রের গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আশীষ বলেন, আগে থেকেই আমি গান গাওয়ার চেষ্টা করতাম। তবে সেসব গান বাচ্চাদের জন্য করতাম। কিন্তু গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চিন্তা ছিল না। যেটা এবার হয়ে গেল, তাও আবার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। এটা আমাদের বাপ-বেটার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। আরো ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—এই খারাপ সময়েও আমাদের গান মানুষ শুনছেন এবং প্রশংসা করছেন।

প্রথম গান রেকর্ড করার গল্প জানিয়ে আশীষ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে স্ত্রী আর এক পুত্র নিয়ে বাসায় আছি। প্রথম সপ্তাহ শুয়ে-বসে কাটালাম। কিন্তু সময় তো কাটে না। দুশ্চিন্তাও কমে না। অসহায় মানুষ কিংবা জরুরি সেবা দেওয়া মানুষগুলোর জন্যও খারাপ লাগছিল। এসব ভাবনা থেকেই গিটার তুলে ছেলেকে ডেকে নিলাম, গান ধরলাম দুজনে। আর ওর মা আমাদের সামনে ক্যামেরা ধরলো। ব্যাস হয়ে গেল!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ইউটিউবে ভিউ পাওয়া বাপ-বেটার উদ্দেশ্য নয়। এই দুঃসময়ে তাদের গান যদি মানুষকে উৎসাহ দেয়, আনন্দ দেয়, সেটাই বড় প্রাপ্তি বলে জানান আশীষ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

করোনার গান গাইলেন বাপ-বেটা

আপডেট টাইম : ০৭:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতো ঘরবন্দি জীবন পার করছেন কণ্ঠশিল্পী আশীষ। ঘরবন্দি জীবনে সাত বছরের পুত্র অংশুমানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ব্যান্ড দল ‘সং ফর গুড’। দুই সদস্যের এই ব্যান্ড দলের লাইনআপ হলো—গিটার ও কণ্ঠ আশীষ। শেকার ও কণ্ঠ অংশুমান। গানের কথা-সুর করছেন আশীষ।

মূলত চার বছর আগে ‘সং ফর গুড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেন আশীষ। যদিও এতসব করবেন এমনটা তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গত চার বছরে চ্যানেলটি নিয়ে কোনোরকম মাথাও ঘামাননি। আর এই ঘরবন্দি জীবনে সেই নামেই ব্যান্ড দলের নামকরণ করেছেন তিনি।

এই বদ্ধ জীবনে কি করা যায় সেই ভাবনা থেকে জন্ম হয়েছে এই ব্যান্ড দল। আট দিন বয়েসি দলটি এরই মধ্যে পাঁচটি গান উপহার দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এই সংকটকালে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বাইরে কাজ করছেন তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে এসব গান। ব্যান্ডের নামে ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ রয়েছে। আর সেখানে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পিতা-পুত্রের গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আশীষ বলেন, আগে থেকেই আমি গান গাওয়ার চেষ্টা করতাম। তবে সেসব গান বাচ্চাদের জন্য করতাম। কিন্তু গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চিন্তা ছিল না। যেটা এবার হয়ে গেল, তাও আবার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। এটা আমাদের বাপ-বেটার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। আরো ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—এই খারাপ সময়েও আমাদের গান মানুষ শুনছেন এবং প্রশংসা করছেন।

প্রথম গান রেকর্ড করার গল্প জানিয়ে আশীষ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে স্ত্রী আর এক পুত্র নিয়ে বাসায় আছি। প্রথম সপ্তাহ শুয়ে-বসে কাটালাম। কিন্তু সময় তো কাটে না। দুশ্চিন্তাও কমে না। অসহায় মানুষ কিংবা জরুরি সেবা দেওয়া মানুষগুলোর জন্যও খারাপ লাগছিল। এসব ভাবনা থেকেই গিটার তুলে ছেলেকে ডেকে নিলাম, গান ধরলাম দুজনে। আর ওর মা আমাদের সামনে ক্যামেরা ধরলো। ব্যাস হয়ে গেল!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ইউটিউবে ভিউ পাওয়া বাপ-বেটার উদ্দেশ্য নয়। এই দুঃসময়ে তাদের গান যদি মানুষকে উৎসাহ দেয়, আনন্দ দেয়, সেটাই বড় প্রাপ্তি বলে জানান আশীষ।


প্রিন্ট