ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ

সুন্দরী নারী ও এক কৃষক

নিউজ ডেস্ক : এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”

কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”

পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)

এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)
এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)

এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা

সুন্দরী নারী ও এক কৃষক

আপডেট টাইম : ০৯:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

নিউজ ডেস্ক : এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”

কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”

পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)

এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)
এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)

এক অপুর্ব সুন্দরী নারীর হঠাৎ আগমন হল এবং সে এক কৃষকের কাছে গিয়ে বললো: “আমি তোমাকে বিবাহ করতে চাই।”
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে এক পুরোহিতের কাছে গিয়ে বললো: “তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দিন।”
পুরোহিত নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল হল। পুরোহিত বললো আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর মোটে ও উপযুক্ত না, আমি ই এই সুন্দরী রমনী কে বিবাহ করবো। কৃষক আর পুরোহিতের মধ্য ঝগড়া লেগে গেলো। হায়রে ঝগড়া!

এক পর্যায়ে কৃষক আর পুরোহিত বিচার নিয়ে গেলো বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর চেহারার দিকে এক পলক দেখলেন এবং তিনি ও পাগল হয়ে গেলেন। বাদশাহ বললেন, তোরা তো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য। আমি ই বিবাহ করবো। তখন নারী কে বলা হল, “তুমি সিদ্ধান্ত নাও, কাকে বিবাহ করবে?”

নারী বললো, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে, আমি তাকে বিবাহ করবো। নারী তো ভোঁ দৌঁড় দিলো। পিছে পিছে কৃষক, পুরোহিত ও বাদশাহ দৌঁড়াতে লাগলো। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর না পেরে এক সময় কৃষক মারা গেল। তার কিছুদূর যাবার পর একই অবস্থায় পুরোহিত ও অবশেষে মারা গেলো। বাদশাহ নারীকে বললেন, “এখন তো আমি একা, চলো আমরা বিবাহ করি।” আবার দৌঁড় শুরু হল। দৌঁড়ানোর ক্ষমতা আর না থাকায় তখন বাদশাহ বললেন, “হে নারী, তুমি দাঁড়াও, আমাকে বলো, আসলে তুমি কে?”

নারী বললো আমি “এই পৃথিবীর ধনদৌলত। আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, কামনা, মোহ আর লোভ-লালসা। আমার পেছনে যে দৌঁড়াবে, সে শুধু এভাবেই বেঘোরে প্রাণ হারাবে। বিনিময়ে কিছুই পাবে না।”
(কপি করা হয়েছে)


প্রিন্ট