ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, বিভিন্ন ইউনিয়নে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি আজ ড্রোনের কারণে রাশিয়ার আকাশ বিমান চলাচলের জন্য ‘সম্পূর্ণ অনিরাপদ’: জেলেনস্কি শরতে অপরূপ কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ, সৌন্দর্যে মাতোয়ারা পর্যটকরা ডিএসসিসি প্রশাসকের খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১১৪, নিখোঁজ ৩৯১৬ ডিএসসিসি প্রশাসকের খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন যুক্তরাজ্য সফরে মাখোঁ, বেয়ো ট্যাপেস্ট্রির উদ্বোধন, বার্নহামের সঙ্গে বৈঠক বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের স্বাস্থ্য সেবার আমূল পরিবর্তন আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বার্সা-ফ্রাঙ্কফুর্ট ম্যাচে পরিকল্পনায় ভুল ছিল: জাভি

ইউরোপা লিগে শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ক্যাম্প ন্যুতে ঘটেছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। দ্বিতীয় লেগে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হারের পর, ম্যাচে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি নিয়ে চিন্তিত বার্সা কোচ জাভি। উয়েফার নিয়মানুযায়ী, হোম ভেন্যুতে মাঠের ৫ শতাংশ প্রতিপক্ষ দর্শকদের উপস্থিতি থাকতে পারবে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল এ ম্যাচে উপস্থিতি ছিলেন ২০ হাজার ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থক। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে হয় কাতালানদের।

মৌসুমের শুরু থেকেই সময় তেমন ভালো যায়নি বার্সেলোনার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর, এবার ইউরোপা লিগ থেকেও বিদায় নিতে হলো কাতালানদের। লিগের দ্বিতীয় লেগে ৩-২ গোলে হারের পর আক্ষেপে পুড়ছে বার্সা।

দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বার্সেলোনোর মাঠে দাপুটে ফুটবল খেলেছে জার্মান ক্লাব ফ্রাঙ্কফুর্ট। ন্যু ক্যাম্পে এদিন ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও ক্যাম্প ন্যুতে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় লাখের কাছাকাছি।

ইউরোপের দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের এমন দাপট দেখে রীতিমতো হতভম্ব সবাই। ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট ইসপিএন জানায়, ন্যু ক্যাম্পে উপস্থিত ৮০ হাজার দর্শকের মধ্যে ৩০ হাজার দর্শকই ছিল সাদা জার্সি গায়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থক।

যদিও চাহিদা থাকায় ১৩ এপ্রিল বুথ থেকে টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিল বার্সা। শুধু নিবন্ধিত বার্সা সমর্থকদের জন্য অনলাইনে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।

ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, হোম ভেন্যুতে ৫ শতাংশ টিকিট প্রতিপক্ষ সমর্থকদের বরাদ্দ থাকে। সে অনুযায়ী, ৫ হাজার টিকিট প্রতিপক্ষ সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ ছিল। এসব বিধিনিষেধের পরও কীভাবে কাতালান শিবিরে এত সাদা জার্সিধারীদের দাপট! এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণে বিরতির পর ১০ মিনিট মাঠেই আসেনি বার্সার আল্ট্রাস সমর্থকগোষ্ঠী। সব মিলিয়ে বার্সা কোচ জাভি হার্নান্দেজ বেশ ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, ম্যাচের সামগ্রিক পরিস্থিতি আমাকে খুব অবাক করেছে। আমরা ম্যাচে ফোকাস করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সঠিকভাবে তা উৎড়ে উঠতে পারিনি। তবে, নিঃসন্দেহে ফ্রাঙ্কফুর্ট খুব ভালো খেলেছে। টিকিট সংক্রান্ত জটিলতা কোনোভাবেই কাম্য ছিল না। ম্যাচে মনে হচ্ছিল স্টেডিয়াম দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পরিকল্পনায় কোনো ভুল ছিল। ক্লাব অবশ্যই তা খুঁজে দেখবে এবং বার্সা সমর্থকদের অনেক ধন্যবাদ যে তারা ন্যু ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে উৎসাহ প্রদান করেছেন।

এদিকে বার্সা সমর্থকদের মনও ছেয়ে গেছে কালো মেঘে। ফেবারিটদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিদায়ে মন খারাপ নিয়েই বাড়ি ফিরছেন সমর্থকরা। এখানে অনেক জার্মান ভক্ত উপস্থিতি ছিলেন। তারা বলেন, ফেবারিটদের বিদায়ে আমরা কষ্ট পেয়েছি। তবে, প্রতিপক্ষ খুব ভালো খেলেছে।

ম্যাচে বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণ খুঁজে বের করতে আগ্রহী কোচ জাভিসহ ভক্ত ও সমর্থকরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, বিভিন্ন ইউনিয়নে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়

বার্সা-ফ্রাঙ্কফুর্ট ম্যাচে পরিকল্পনায় ভুল ছিল: জাভি

আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

ইউরোপা লিগে শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ক্যাম্প ন্যুতে ঘটেছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। দ্বিতীয় লেগে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হারের পর, ম্যাচে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি নিয়ে চিন্তিত বার্সা কোচ জাভি। উয়েফার নিয়মানুযায়ী, হোম ভেন্যুতে মাঠের ৫ শতাংশ প্রতিপক্ষ দর্শকদের উপস্থিতি থাকতে পারবে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল এ ম্যাচে উপস্থিতি ছিলেন ২০ হাজার ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থক। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে হয় কাতালানদের।

মৌসুমের শুরু থেকেই সময় তেমন ভালো যায়নি বার্সেলোনার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর, এবার ইউরোপা লিগ থেকেও বিদায় নিতে হলো কাতালানদের। লিগের দ্বিতীয় লেগে ৩-২ গোলে হারের পর আক্ষেপে পুড়ছে বার্সা।

দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বার্সেলোনোর মাঠে দাপুটে ফুটবল খেলেছে জার্মান ক্লাব ফ্রাঙ্কফুর্ট। ন্যু ক্যাম্পে এদিন ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও ক্যাম্প ন্যুতে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় লাখের কাছাকাছি।

ইউরোপের দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের এমন দাপট দেখে রীতিমতো হতভম্ব সবাই। ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট ইসপিএন জানায়, ন্যু ক্যাম্পে উপস্থিত ৮০ হাজার দর্শকের মধ্যে ৩০ হাজার দর্শকই ছিল সাদা জার্সি গায়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থক।

যদিও চাহিদা থাকায় ১৩ এপ্রিল বুথ থেকে টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিল বার্সা। শুধু নিবন্ধিত বার্সা সমর্থকদের জন্য অনলাইনে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।

ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, হোম ভেন্যুতে ৫ শতাংশ টিকিট প্রতিপক্ষ সমর্থকদের বরাদ্দ থাকে। সে অনুযায়ী, ৫ হাজার টিকিট প্রতিপক্ষ সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ ছিল। এসব বিধিনিষেধের পরও কীভাবে কাতালান শিবিরে এত সাদা জার্সিধারীদের দাপট! এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণে বিরতির পর ১০ মিনিট মাঠেই আসেনি বার্সার আল্ট্রাস সমর্থকগোষ্ঠী। সব মিলিয়ে বার্সা কোচ জাভি হার্নান্দেজ বেশ ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, ম্যাচের সামগ্রিক পরিস্থিতি আমাকে খুব অবাক করেছে। আমরা ম্যাচে ফোকাস করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সঠিকভাবে তা উৎড়ে উঠতে পারিনি। তবে, নিঃসন্দেহে ফ্রাঙ্কফুর্ট খুব ভালো খেলেছে। টিকিট সংক্রান্ত জটিলতা কোনোভাবেই কাম্য ছিল না। ম্যাচে মনে হচ্ছিল স্টেডিয়াম দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পরিকল্পনায় কোনো ভুল ছিল। ক্লাব অবশ্যই তা খুঁজে দেখবে এবং বার্সা সমর্থকদের অনেক ধন্যবাদ যে তারা ন্যু ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে উৎসাহ প্রদান করেছেন।

এদিকে বার্সা সমর্থকদের মনও ছেয়ে গেছে কালো মেঘে। ফেবারিটদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিদায়ে মন খারাপ নিয়েই বাড়ি ফিরছেন সমর্থকরা। এখানে অনেক জার্মান ভক্ত উপস্থিতি ছিলেন। তারা বলেন, ফেবারিটদের বিদায়ে আমরা কষ্ট পেয়েছি। তবে, প্রতিপক্ষ খুব ভালো খেলেছে।

ম্যাচে বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণ খুঁজে বের করতে আগ্রহী কোচ জাভিসহ ভক্ত ও সমর্থকরা।


প্রিন্ট