ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

সোমবার ঢাকায় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এবং আইওএম এর মধ্যে ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার সম্মুখীন কক্সবাজার জেলায় ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। সেখানে রোহিঙ্গা এবং আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায় বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের সময় ভূমিধস এবং বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জর মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে, এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।

তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে।

উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস

আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

সোমবার ঢাকায় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এবং আইওএম এর মধ্যে ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার সম্মুখীন কক্সবাজার জেলায় ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। সেখানে রোহিঙ্গা এবং আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায় বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের সময় ভূমিধস এবং বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জর মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে, এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।

তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে।

উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।


প্রিন্ট