ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় কাঁচা মরিচ

ঝাল খেতে পারেন না অনেকেই। ঝাল আছে বলে এড়িয়ে চলেন অনেক খাবারই। আবার শরীর খারাপ হতে পারে ভেবেও অনেকে ঝাল খান না। ঝাল খাবার মানেই মরিচ, মশলা দিয়ে তৈরি করা খাবার। অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলে শরীরের অবহেলা হয় তো বটেই। তেল-মশলা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হলেও, মরিচ কিন্তু নয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, ঝাল খাবার যত্ন নেয় শরীরের। মরিচ দেওয়া খাবার খেলে কী কী উপকার পেতে পারেন?

প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
মরিচে রয়েছে ভিটামিন সি এবং আরো অনেক উপকারী উপাদান। সেগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। মরিচ ঝাল হলেও এর উপকারিতা কম নয়। রোগের সঙ্গে লড়তে একেবারে ঝাল খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেবেন না।

ওজন কমাতে সাহায্য করে
মরিচে রয়েছে ক্যাপাসাইসিন নামক উপাদান, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই উপাদান হজমক্ষমতা উন্নত করতেও সক্ষম। হজম ঠিকঠাক হলে ওজনও বাড়তে পারে না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিচে উপর ভরসা রাখতে পারেন।

হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে
খুব ঝাল খাবার খেলে অম্বল হতে পারে, এমন ধারণা পোষণ করেন অনেকেই। গ্যাস-অম্বল হলে তার প্রভাব পড়ে হৃদ‌্‌যন্ত্রেও। তাই অনেকেই মরিচ খেতে চান না। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মরিচ হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যাপাসাইসিন খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে মরিচ।

মেজাজ ফুরফুরে রাখতে
ঝাল খাবার মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর নেপথ্যে অবশ্য বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। মরিচ শরীরে সেরোটোনিনের পরিমাণ বাড়ায়। সেরাটোনিন ভালো হরমোন নামেই পরিচিত। মানসিক অবসাদ এবং উদ্বেগ দূর করতেও ভরসা রাখতে পারেন মরিচে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় কাঁচা মরিচ

আপডেট টাইম : ০৯:৪২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩

ঝাল খেতে পারেন না অনেকেই। ঝাল আছে বলে এড়িয়ে চলেন অনেক খাবারই। আবার শরীর খারাপ হতে পারে ভেবেও অনেকে ঝাল খান না। ঝাল খাবার মানেই মরিচ, মশলা দিয়ে তৈরি করা খাবার। অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলে শরীরের অবহেলা হয় তো বটেই। তেল-মশলা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হলেও, মরিচ কিন্তু নয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, ঝাল খাবার যত্ন নেয় শরীরের। মরিচ দেওয়া খাবার খেলে কী কী উপকার পেতে পারেন?

প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
মরিচে রয়েছে ভিটামিন সি এবং আরো অনেক উপকারী উপাদান। সেগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। মরিচ ঝাল হলেও এর উপকারিতা কম নয়। রোগের সঙ্গে লড়তে একেবারে ঝাল খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেবেন না।

ওজন কমাতে সাহায্য করে
মরিচে রয়েছে ক্যাপাসাইসিন নামক উপাদান, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই উপাদান হজমক্ষমতা উন্নত করতেও সক্ষম। হজম ঠিকঠাক হলে ওজনও বাড়তে পারে না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিচে উপর ভরসা রাখতে পারেন।

হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে
খুব ঝাল খাবার খেলে অম্বল হতে পারে, এমন ধারণা পোষণ করেন অনেকেই। গ্যাস-অম্বল হলে তার প্রভাব পড়ে হৃদ‌্‌যন্ত্রেও। তাই অনেকেই মরিচ খেতে চান না। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মরিচ হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যাপাসাইসিন খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে মরিচ।

মেজাজ ফুরফুরে রাখতে
ঝাল খাবার মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর নেপথ্যে অবশ্য বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। মরিচ শরীরে সেরোটোনিনের পরিমাণ বাড়ায়। সেরাটোনিন ভালো হরমোন নামেই পরিচিত। মানসিক অবসাদ এবং উদ্বেগ দূর করতেও ভরসা রাখতে পারেন মরিচে।


প্রিন্ট