ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

আইসিজের রায় প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা বন্ধ করার আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এই অভিযোগকে মিথ্যা উল্লেখ করে রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এই আদেশ শুধু মিথ্যা নয় বরং আপত্তিকর।

আইসিজের রায়কে ঘিরে দুটি বিবৃতিও দিয়েছেন নেতানিয়াহু। একটি হিব্রু ভাষায় এবং অন্যটি ইংরেজিতে। এসব বিবৃতিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছেন- ইসরায়েল একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ করছে এবং তারা গাজা এবং হামাসের বেসামরিক বাসিন্দাদের আলাদা করে দেখে।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বাস্তবে সেখানে সবসময়ই ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে যা বলছেন তার সঙ্গে বাস্তবতার বিস্তর ফারাক রয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিতে তার বক্তব্য শেষ করেন এই বলে যে, ইসরায়েলিরা তাদের সমস্ত সামরিক উদ্দেশ্য অর্জন না করা পর্যন্ত (গাজায়) স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে যুদ্ধ চলবে।

শুক্রবার গাজায় গণহত্যা ও গণহত্যার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। তবে যুদ্ধবিরতি বা ইসরায়েলকে সামরিক অভিযান বন্ধের কোনও নির্দেশ দেননি বিচারকেরা। গাজায় মানবিক সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আদালত।

আইসিজে বিচারক প্যানেলের প্রেসিডেন্ট জোয়ান ডনোঘু বলেন, “আদালত এই অঞ্চলে উন্মোচিত হওয়া মানবিক ট্র্যাজেডির মাত্রা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং প্রাণহানি ও মানবিক দুর্ভোগের অব্যাহত ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”

তিনি জানান, আদালত মনে করে- গাজায় ইসরায়েলের কিছু কর্মকাণ্ড অন্তত জাতিসংঘের জেনোসাইড (গণহত্যা) কনভেনশনের আওতায় পড়ে।

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশনাসহ নয়টি বিষয়ে সাউথ আফ্রিকা হেগভিত্তিক এই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল। তার মধ্যে গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা সংগঠিত করছে বলেও তাদের অভিযোগ ছিল।

ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা বাতিলের আবেদন করে, যা আদালত মেনে নেয়নি। অর্থাৎ, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে কিনা সেই বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ না দিলেও আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা ও গণহত্যার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সাধ্যের মধ্যে সব ব্যবস্থা নিতে বলেছে। সে অনুযায়ী ইসরায়েল কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা একমাসের মধ্যে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

আইসিজের রায় প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের

আপডেট টাইম : ০১:২২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা বন্ধ করার আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এই অভিযোগকে মিথ্যা উল্লেখ করে রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এই আদেশ শুধু মিথ্যা নয় বরং আপত্তিকর।

আইসিজের রায়কে ঘিরে দুটি বিবৃতিও দিয়েছেন নেতানিয়াহু। একটি হিব্রু ভাষায় এবং অন্যটি ইংরেজিতে। এসব বিবৃতিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছেন- ইসরায়েল একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ করছে এবং তারা গাজা এবং হামাসের বেসামরিক বাসিন্দাদের আলাদা করে দেখে।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বাস্তবে সেখানে সবসময়ই ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে যা বলছেন তার সঙ্গে বাস্তবতার বিস্তর ফারাক রয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিতে তার বক্তব্য শেষ করেন এই বলে যে, ইসরায়েলিরা তাদের সমস্ত সামরিক উদ্দেশ্য অর্জন না করা পর্যন্ত (গাজায়) স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে যুদ্ধ চলবে।

শুক্রবার গাজায় গণহত্যা ও গণহত্যার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। তবে যুদ্ধবিরতি বা ইসরায়েলকে সামরিক অভিযান বন্ধের কোনও নির্দেশ দেননি বিচারকেরা। গাজায় মানবিক সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আদালত।

আইসিজে বিচারক প্যানেলের প্রেসিডেন্ট জোয়ান ডনোঘু বলেন, “আদালত এই অঞ্চলে উন্মোচিত হওয়া মানবিক ট্র্যাজেডির মাত্রা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং প্রাণহানি ও মানবিক দুর্ভোগের অব্যাহত ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”

তিনি জানান, আদালত মনে করে- গাজায় ইসরায়েলের কিছু কর্মকাণ্ড অন্তত জাতিসংঘের জেনোসাইড (গণহত্যা) কনভেনশনের আওতায় পড়ে।

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশনাসহ নয়টি বিষয়ে সাউথ আফ্রিকা হেগভিত্তিক এই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল। তার মধ্যে গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা সংগঠিত করছে বলেও তাদের অভিযোগ ছিল।

ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা বাতিলের আবেদন করে, যা আদালত মেনে নেয়নি। অর্থাৎ, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে কিনা সেই বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ না দিলেও আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা ও গণহত্যার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সাধ্যের মধ্যে সব ব্যবস্থা নিতে বলেছে। সে অনুযায়ী ইসরায়েল কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা একমাসের মধ্যে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত


প্রিন্ট