ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

মেক্সিকো সীমান্তে ১৫০০ সেনা ও হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতাক ডেস্কঃ নতুন মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে একের পর এক ব্যবস্থা নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণে মেক্সিকো সীমান্তে ১ হাজার ৫০০ জন সেনাসদস্য, উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে। অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এরই মধ্যে দক্ষিণ সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের খবরে বলা হয়, ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়াগো শহর ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের এল পাসো শহরে সেনাবাহিনীর ১ হাজার সদস্য এবং মেরিন বাহিনীর ৫০০ জন সদস্যকে পাঠানো হবে। এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর দুটি সি-১৭ উড়োজাহাজ, দুটি সি-১৩০ উড়োজাহাজ এবং হেলিকপ্টারও মেক্সিকো সীমান্তে পাঠানো হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট স্যালেসেস বলেন, ৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানোর কাজে সহায়তার জন্য সামরিক উড়োজাহাজ দেবে প্রতিরক্ষা দপ্তর।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সর্বোচ্চ ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের জন্য তৈরি থাকতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির দক্ষিণ সীমান্তে আগে থেকেই প্রায় ২ হাজার ২০০ সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কাজে সহায়তা করেন।

ক্ষমতায় বসার পরপরই সোমবার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করেন ট্রাম্প। ওই আদেশের ফলে সেখানে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের পথ খুলেছিল। গত বছর নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই ট্রাম্প বলে আসছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করতে ক্ষমতায় বসার দিনই পদক্ষেপ নেবেন তিনি।

বুধবারও অবৈধ অভিবাসী-সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে। ওই আদেশে দক্ষিণ সীমান্ত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত বিতাড়িত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের কাছে এই আদেশের বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে জবাবে লেভিট বলেন, ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের খবর সত্য। দক্ষিণ সীমান্তে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ সেনাসদস্য পাঠানোর খবরও নিশ্চিত করেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন ট্রাম্প। যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য সীমান্তে আসার কথা ভাবছেন, তাদেরও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।

অভিবাসন প্রত্যাশীদের প্রতি ইঙ্গিত করে ক্যারোলিন লেভিট বলেন, আপনাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে, বিচার করা হবে। (যুক্তরাষ্ট্রে) আসবেন না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

মেক্সিকো সীমান্তে ১৫০০ সেনা ও হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

আপডেট টাইম : ০১:২৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতাক ডেস্কঃ নতুন মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে একের পর এক ব্যবস্থা নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণে মেক্সিকো সীমান্তে ১ হাজার ৫০০ জন সেনাসদস্য, উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে। অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এরই মধ্যে দক্ষিণ সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের খবরে বলা হয়, ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়াগো শহর ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের এল পাসো শহরে সেনাবাহিনীর ১ হাজার সদস্য এবং মেরিন বাহিনীর ৫০০ জন সদস্যকে পাঠানো হবে। এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর দুটি সি-১৭ উড়োজাহাজ, দুটি সি-১৩০ উড়োজাহাজ এবং হেলিকপ্টারও মেক্সিকো সীমান্তে পাঠানো হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট স্যালেসেস বলেন, ৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানোর কাজে সহায়তার জন্য সামরিক উড়োজাহাজ দেবে প্রতিরক্ষা দপ্তর।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সর্বোচ্চ ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের জন্য তৈরি থাকতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির দক্ষিণ সীমান্তে আগে থেকেই প্রায় ২ হাজার ২০০ সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কাজে সহায়তা করেন।

ক্ষমতায় বসার পরপরই সোমবার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করেন ট্রাম্প। ওই আদেশের ফলে সেখানে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের পথ খুলেছিল। গত বছর নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই ট্রাম্প বলে আসছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করতে ক্ষমতায় বসার দিনই পদক্ষেপ নেবেন তিনি।

বুধবারও অবৈধ অভিবাসী-সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে। ওই আদেশে দক্ষিণ সীমান্ত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত বিতাড়িত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের কাছে এই আদেশের বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে জবাবে লেভিট বলেন, ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের খবর সত্য। দক্ষিণ সীমান্তে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ সেনাসদস্য পাঠানোর খবরও নিশ্চিত করেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন ট্রাম্প। যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য সীমান্তে আসার কথা ভাবছেন, তাদেরও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।

অভিবাসন প্রত্যাশীদের প্রতি ইঙ্গিত করে ক্যারোলিন লেভিট বলেন, আপনাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে, বিচার করা হবে। (যুক্তরাষ্ট্রে) আসবেন না।


প্রিন্ট