ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

হাফসা আক্তারঃ

 

 

পবিত্র মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকা, পল্লবী ও রুপনগরে, গুম ও শহীদ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের হাতে রমজান ও ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

 

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাদ, কালশী ও এভিনিউ-৫ সহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান আমিনুল হক। এ সময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যার কথা শোনেন তিনি। গুম ও শহীদ হওয়া নেতাকর্মীদের স্বজনদের সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।

 

প্রিয়জনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসময় অনেক পরিবারের সদস্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জানান, রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে আমিনুল হক তাদের কখনো ভুলে যাননি এবং বারবার পাশে দাঁড়িয়ে একজন প্রকৃত মানবিক নেতার পরিচয় দিয়েছেন।

 

এদিন যেসব পরিবারের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে শহীদ আসিফ ইকবালের পরিবার, ২০১৩ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারার পরিবার, শহীদ মকবুল হোসেনের পরিবার, শহীদ রমজান মিয়া জীবনের পরিবার এবং ২০১৫ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলমের পরিবার।

 

পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, “গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী নন; তারা এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। তাদের এই ত্যাগের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, তবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ ও গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাদের স্মৃতি ধারণ করেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

 

রমজানের এই মানবিক উদ্যোগকে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল একটি সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না; বরং একে দেখছেন ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। তাদের মতে, ক্ষমতা বা পদ নয়—বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক নেতার আসল পরিচয়, যা আমিনুল হক আবারও প্রমাণ করলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আপডেট টাইম : ০৭:১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

হাফসা আক্তারঃ

 

 

পবিত্র মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকা, পল্লবী ও রুপনগরে, গুম ও শহীদ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের হাতে রমজান ও ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

 

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাদ, কালশী ও এভিনিউ-৫ সহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান আমিনুল হক। এ সময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যার কথা শোনেন তিনি। গুম ও শহীদ হওয়া নেতাকর্মীদের স্বজনদের সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।

 

প্রিয়জনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসময় অনেক পরিবারের সদস্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জানান, রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে আমিনুল হক তাদের কখনো ভুলে যাননি এবং বারবার পাশে দাঁড়িয়ে একজন প্রকৃত মানবিক নেতার পরিচয় দিয়েছেন।

 

এদিন যেসব পরিবারের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে শহীদ আসিফ ইকবালের পরিবার, ২০১৩ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারার পরিবার, শহীদ মকবুল হোসেনের পরিবার, শহীদ রমজান মিয়া জীবনের পরিবার এবং ২০১৫ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলমের পরিবার।

 

পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, “গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী নন; তারা এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। তাদের এই ত্যাগের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, তবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ ও গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাদের স্মৃতি ধারণ করেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

 

রমজানের এই মানবিক উদ্যোগকে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল একটি সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না; বরং একে দেখছেন ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। তাদের মতে, ক্ষমতা বা পদ নয়—বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক নেতার আসল পরিচয়, যা আমিনুল হক আবারও প্রমাণ করলেন।


প্রিন্ট