ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সংকট শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৯৭ ফ্লাইট বাতিল, পরিচালিত ১০৫৮টি

হাফসা আক্তারঃ

 

 

ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২৬:

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে ব্যাপক সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় মোট ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

 

জানা যায়, ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখায় এসব ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটে।

 

সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয় মার্চের প্রথমার্ধে। প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ২ মার্চ সর্বোচ্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিলের রেকর্ড করা হয়। সর্বশেষ ২৭ মার্চ (০০০০ LT পরবর্তী) আরও ২২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ-এর ফ্লাইট উল্লেখযোগ্য।

 

অন্যদিকে, একই সময়ে সীমিত পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত ছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ১০৫৮টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পিত হয়েছে।

 

ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে মাস্কাট (MCT), সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-গামী ফ্লাইটের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে, যার মধ্যে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ রুটে যাত্রী চাপ বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

 

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আকাশসীমা বন্ধ থাকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ফ্লাইট সূচিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল ও পুনঃনির্ধারণ অব্যাহত থাকতে পারে।

 

এতে করে মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী শ্রমিক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, আবার অনেকে টিকিট পুনঃনির্ধারণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সংকট শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৯৭ ফ্লাইট বাতিল, পরিচালিত ১০৫৮টি

আপডেট টাইম : ০৬:১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

হাফসা আক্তারঃ

 

 

ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২৬:

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে ব্যাপক সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় মোট ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

 

জানা যায়, ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখায় এসব ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটে।

 

সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয় মার্চের প্রথমার্ধে। প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ২ মার্চ সর্বোচ্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিলের রেকর্ড করা হয়। সর্বশেষ ২৭ মার্চ (০০০০ LT পরবর্তী) আরও ২২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ-এর ফ্লাইট উল্লেখযোগ্য।

 

অন্যদিকে, একই সময়ে সীমিত পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত ছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ১০৫৮টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পিত হয়েছে।

 

ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে মাস্কাট (MCT), সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-গামী ফ্লাইটের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে, যার মধ্যে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ রুটে যাত্রী চাপ বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

 

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আকাশসীমা বন্ধ থাকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ফ্লাইট সূচিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল ও পুনঃনির্ধারণ অব্যাহত থাকতে পারে।

 

এতে করে মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী শ্রমিক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, আবার অনেকে টিকিট পুনঃনির্ধারণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।


প্রিন্ট