ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জাতির বৈসু উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দশ ভাষাভাষী এগারোটা জাতিসত্ত্বার মধ্যে ত্রিপুরা একটি আলাদা জাতিসত্ত্বা। ত্রিপুরাদের আলাদা সাহিত্য সংস্কৃতি ভাষা ও কৃষ্টি রয়েছে। ত্রিপুরা জাতির মধ্যে বৈসু একটি সামাজিক উৎসব। এ অন্যতম সামাজিক উৎসবকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জনজাতির বৈসু উপলক্ষে এক বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলের প্রঙ্গনের সামনে থেকে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ বিশাল শোভাযাত্রাটি শুরু করে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরা জনজাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মনোরঞ্জনের জন্য ডিসপ্লে প্রদর্শন এবং ত্রিপুরাদের জাতীয় পোশাক পরিচ্ছদ, নিজস্ব সাহিত্য-সংস্কৃতি, কৃষ্টি, তাদের নিজস্ব ভাষা ককবরক। এ আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

 

খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রার আরম্ভ করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন ত্রিপুরা জনজাতির বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ, শিশু কিশোর এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ত্রিপুরাদের নিজস্ব পোশাক পরিধান করে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ও নৃত্যের ছন্দে অভিনয়ের সঙ্গীতের সুরে সুরে পুরো খাগড়াছড়ি শহর উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছে।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ত্রিপুরা জনজাতির নিজস্ব স্বকীয়তা ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরো বলেন, শুধু উৎসবের আয়োজন নয়, বরং আমাদের ত্রিপুরা জাতিদের আদি সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে জাতিসত্ত্বাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

 

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা জাতিসত্ত্বার বৈসু পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য জাতির পাশাপাশি ত্রিপুরা জাতির অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পুরাতন বছরকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে এ ধরণের আয়োজন করা হয়ে থাকে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জাতির বৈসু উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দশ ভাষাভাষী এগারোটা জাতিসত্ত্বার মধ্যে ত্রিপুরা একটি আলাদা জাতিসত্ত্বা। ত্রিপুরাদের আলাদা সাহিত্য সংস্কৃতি ভাষা ও কৃষ্টি রয়েছে। ত্রিপুরা জাতির মধ্যে বৈসু একটি সামাজিক উৎসব। এ অন্যতম সামাজিক উৎসবকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জনজাতির বৈসু উপলক্ষে এক বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলের প্রঙ্গনের সামনে থেকে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ বিশাল শোভাযাত্রাটি শুরু করে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরা জনজাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মনোরঞ্জনের জন্য ডিসপ্লে প্রদর্শন এবং ত্রিপুরাদের জাতীয় পোশাক পরিচ্ছদ, নিজস্ব সাহিত্য-সংস্কৃতি, কৃষ্টি, তাদের নিজস্ব ভাষা ককবরক। এ আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

 

খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রার আরম্ভ করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন ত্রিপুরা জনজাতির বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ, শিশু কিশোর এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ত্রিপুরাদের নিজস্ব পোশাক পরিধান করে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ও নৃত্যের ছন্দে অভিনয়ের সঙ্গীতের সুরে সুরে পুরো খাগড়াছড়ি শহর উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছে।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ত্রিপুরা জনজাতির নিজস্ব স্বকীয়তা ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরো বলেন, শুধু উৎসবের আয়োজন নয়, বরং আমাদের ত্রিপুরা জাতিদের আদি সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে জাতিসত্ত্বাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

 

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা জাতিসত্ত্বার বৈসু পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য জাতির পাশাপাশি ত্রিপুরা জাতির অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পুরাতন বছরকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে এ ধরণের আয়োজন করা হয়ে থাকে।


প্রিন্ট