ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জাতির বৈসু উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দশ ভাষাভাষী এগারোটা জাতিসত্ত্বার মধ্যে ত্রিপুরা একটি আলাদা জাতিসত্ত্বা। ত্রিপুরাদের আলাদা সাহিত্য সংস্কৃতি ভাষা ও কৃষ্টি রয়েছে। ত্রিপুরা জাতির মধ্যে বৈসু একটি সামাজিক উৎসব। এ অন্যতম সামাজিক উৎসবকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জনজাতির বৈসু উপলক্ষে এক বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলের প্রঙ্গনের সামনে থেকে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ বিশাল শোভাযাত্রাটি শুরু করে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরা জনজাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মনোরঞ্জনের জন্য ডিসপ্লে প্রদর্শন এবং ত্রিপুরাদের জাতীয় পোশাক পরিচ্ছদ, নিজস্ব সাহিত্য-সংস্কৃতি, কৃষ্টি, তাদের নিজস্ব ভাষা ককবরক। এ আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

 

খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রার আরম্ভ করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন ত্রিপুরা জনজাতির বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ, শিশু কিশোর এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ত্রিপুরাদের নিজস্ব পোশাক পরিধান করে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ও নৃত্যের ছন্দে অভিনয়ের সঙ্গীতের সুরে সুরে পুরো খাগড়াছড়ি শহর উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছে।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ত্রিপুরা জনজাতির নিজস্ব স্বকীয়তা ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরো বলেন, শুধু উৎসবের আয়োজন নয়, বরং আমাদের ত্রিপুরা জাতিদের আদি সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে জাতিসত্ত্বাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

 

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা জাতিসত্ত্বার বৈসু পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য জাতির পাশাপাশি ত্রিপুরা জাতির অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পুরাতন বছরকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে এ ধরণের আয়োজন করা হয়ে থাকে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জাতির বৈসু উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

এস চাঙমা সত্যজিৎ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দশ ভাষাভাষী এগারোটা জাতিসত্ত্বার মধ্যে ত্রিপুরা একটি আলাদা জাতিসত্ত্বা। ত্রিপুরাদের আলাদা সাহিত্য সংস্কৃতি ভাষা ও কৃষ্টি রয়েছে। ত্রিপুরা জাতির মধ্যে বৈসু একটি সামাজিক উৎসব। এ অন্যতম সামাজিক উৎসবকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা জনজাতির বৈসু উপলক্ষে এক বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলের প্রঙ্গনের সামনে থেকে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ বিশাল শোভাযাত্রাটি শুরু করে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরা জনজাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মনোরঞ্জনের জন্য ডিসপ্লে প্রদর্শন এবং ত্রিপুরাদের জাতীয় পোশাক পরিচ্ছদ, নিজস্ব সাহিত্য-সংস্কৃতি, কৃষ্টি, তাদের নিজস্ব ভাষা ককবরক। এ আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

 

খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রার আরম্ভ করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন ত্রিপুরা জনজাতির বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ, শিশু কিশোর এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ত্রিপুরাদের নিজস্ব পোশাক পরিধান করে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ও নৃত্যের ছন্দে অভিনয়ের সঙ্গীতের সুরে সুরে পুরো খাগড়াছড়ি শহর উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছে।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ত্রিপুরা জনজাতির নিজস্ব স্বকীয়তা ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরো বলেন, শুধু উৎসবের আয়োজন নয়, বরং আমাদের ত্রিপুরা জাতিদের আদি সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে জাতিসত্ত্বাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

 

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা জাতিসত্ত্বার বৈসু পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য জাতির পাশাপাশি ত্রিপুরা জাতির অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পুরাতন বছরকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে এ ধরণের আয়োজন করা হয়ে থাকে।


প্রিন্ট